২০২৩ বিশ্বকাপের পর ২০২৫-এর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। পর পর দু’টি আইসিসি প্রতিযোগিতায় ভারতের কাছে নকআউটে হেরে শেষ হয়ে গিয়েছিল নিউ জ়িল্যান্ডের ট্রফি জয়ের স্বপ্ন। ভারতে এক দিনের সিরিজ় খেলতে নামার আগে অবশ্য সে সব মাথায় নেই নিউ জ়িল্যান্ডের। বডোদরায় প্রথম ম্যাচের দু’দিন আগে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন উইল ইয়ং। এটাও জানিয়েছেন, রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি গোটা দলের অনুপ্রেরণা।
গত বছর ভারতের মাটিতে শুভমনের ভারতকেই টেস্ট সিরিজ়ে চুনকাম করেছিল নিউ জ়িল্যান্ড। সেই সিরিজ়ের সেরা হয়েছিলেন ইয়ং। তিনি শুক্রবার বলেছেন, “চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে যে ভাবে খেলেছিলাম তার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা পরিস্থিতিতে খেলতে নামছি। ওখানে আলাদা দল খেলেছিল। আমাদের কাছে সে সব অতীত। মনেই রাখছি না। আমরা তিন ম্যাচের সিরিজ় নিয়ে উত্তেজিত।”
এক মাসের মধ্যে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তাই এক দিনের সিরিজ়ের গুরুত্ব হয়তো অনেকের কাছেই নেই। তবে ইয়ংয়ের মতে, এই ফরম্যাটের ঔজ্জ্বল্য এখনও আছে। বিশেষ করে বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে যে লড়াই হয় সেটাই তার প্রমাণ।
ইয়ং বলেছেন, “টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে থাকায় এই সিরিজ় হারলে হয়তো কেউ কিছু বলবে না। কিন্তু দেশের হয়ে খেলতে নামলে সব সময় দুটো বিষয় মাথায় রাখা উচিত। আবেগ এবং অনুপ্রেরণা। টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টির থেকে এই ফরম্যাট একটু আলাদা। এখন গুরুত্বও কিছুটা কমেছে ঠিকই। কিন্তু দুটো আইসিসি প্রতিযোগিতা হয় এই ফরম্যাটে। এত বছর ধরে অনেক ইতিহাস তৈরি হয়েছে সেই প্রতিযোগিতায়।”
নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ়ে দেখা যাবে রোহিত এবং কোহলিকে। ইয়ংয়ের মতে, এই দু’জনই গোটা কিউয়ি দলের কাছে অনুপ্রেরণা। কিউয়ি ব্যাটারের কথায়, “কোহলি এবং রোহিত দু’জনেই অসাধারণ ক্রিকেটার। এত বছর ধরে বিশ্ব ক্রিকেটে দাপটের সঙ্গে খেলেছে। আমি ওদের খেলার দিকে সব সময় তাকিয়ে থাকি। দলের বাকিরাও নিয়মিত ওদের অনুসরণ করে। ওদের মতো ক্রিকেটারদের দেখেই তো আমরা বড় হয়েছি।”
আরও পড়ুন:
ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আদিত্য অশোক। ইয়ংয়ের ধারণা, ভারতীয়দের পরীক্ষার মুখে ফেলতে পারবেন অশোক। ইয়ং বলেছেন, “দেশে প্রচুর ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছে আদি। অসাধারণ লেগ স্পিনার। সব রকম বৈচিত্র রয়েছে ওর বলে। ভাল গতিতেও বল করে। পিচ থেকে বাউন্স আদায় করে নিতে পারে। দেখা যাক এক দিনের ক্রিকেটে কেমন খেলে।”