টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে না পাকিস্তান। এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে গত রবিবার সমাজমাধ্যমে জানানো হয়েছিল। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহবাজ শরিফ এই প্রথম এই নিয়ে মুখ খুলেছেন।
পাক প্রধানমন্ত্রী নিজেও জানিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটই করছে পাকিস্তান। সে দেশের মন্ত্রিসভায় দাঁড়িয়ে এই ঘোষণা করেন শরিফ। ইসলামাবাদে ফেডারেল ক্যাবিনেটে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি জানান, ভারতের বিপক্ষে কোনও পাকিস্তান খেলবে না।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে একটা স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছি। আমরা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচটা খেলব না।” তিনি আরও যোগ করেন, “খেলাধুলোয় রাজনীতি হওয়া উচিত নয়। কিন্তু আমরা যথেষ্ট বিচার-বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা বাংলাদেশের পাশে আছি। আমার মনে হয়, এটা সঠিক এবং যথাযথ সিদ্ধান্ত।’’
আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি রবিবার কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার কথা পাকিস্তানের। গ্রুপ পর্বের এই ম্যাচ ছাড়াও পরবর্তী রাউন্ড বা ফাইনালেও দুই দল মুখোমুখি হতে পারে। ফাইনালেও ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে হলে কী করবে, সে ব্যাপারে পাকিস্তান এখনও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি।
গত রবিবার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ চলাকালীনই পাকিস্তান সরকার এক্স মাধ্যমে জানায়, “পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে না পাকিস্তান।”
বিশ্বকাপে গ্রুপ এ-তে ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে রয়েছে আমেরিকা, নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়া। অর্থাৎ, বাকি তিন দেশের বিরুদ্ধে খেললেও ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না পাকিস্তান।
বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার পর পাকিস্তানও প্রতিযোগিতা বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তবে তার মধ্যে এ-ও জানা গিয়েছিল, পুরো প্রতিযোগিতা নয়, শুধুমাত্র ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না তারা। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের উপর ছেড়েছিল সে দেশের ক্রিকেট বোর্ড। শেষপর্যন্ত শাহবাজ় শরিফ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না তারা।