পাকিস্তানের আবরার আহমেদকে দলে নিয়েছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মালিক কাব্য মারান। সানরাইজার্স লিডসের হয়ে ইংল্যান্ডের ‘দ্য হান্ড্রেড’-এ খেলার কথা তাঁর। কিন্তু সমস্যায় পড়েছেন আবরার। পাক স্পিনারকে বেছে নিতে হবে জাতীয় দল অথবা সাদা বলের লিগ।
‘দ্য হান্ড্রেড’-এর সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ় খেলবে পাকিস্তান। শান মাসুদের দলে আবরারের থাকা এক রকম নিশ্চিত। রহস্য স্পিনারকে দলে রাখতে চান পাক নির্বাচকেরা। কিন্তু আবরার সানরাইজার্স লিডসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে একটি বেছে নিতে হবে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি সর্বভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘আবরার এবং ওর এজেন্ট উভয় সঙ্কটে পড়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে টেস্ট দলে থাকলে আবরারের পক্ষে দ্য হান্ড্রেড খেলা কঠিন। কারণ ওই প্রতিযোগিতা শুরুর চার দিন পরেই প্রথম টেস্ট শুরু হবে।’’
‘দ্য হান্ড্রেড’ খেলার জন্য পিসিবির অনুমতি প্রয়োজন আবরারের। পাকিস্তানের ক্রিকেট কর্তারা সম্ভবত জাতীয় দলের স্বার্থ উপেক্ষা করে তাঁকে অনুমতি দেবেন না। তবে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট কর্তারা পিসিবিকে চাপে রেখেছে। ওই ব্যক্তি বলেছেন, ‘‘ইসিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আবরারকে দলে নেওয়ার পর ১৪০ কোটি মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় কাব্য মারানকে। তা-ও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন এবং আবরারকে ধরে রাখেন। তাই দ্য হান্ড্রেডে আবরারের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।’’ আবরারকে পেতে পিসিবির উপর চাপ দিচ্ছেন ইংল্যান্ডের কর্তারা। এই পরিস্থিতিতে আবরার নিজে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন না। দুই বোর্ডের আলোচনা এবং সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
‘দ্য হান্ড্রেড’ শুরু হবে ২১ জুলাই থেকে। পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজ় প্রথম টেস্ট শুরু হবে ২৫ জুলাই থেকে। ভারতীয় মালিকেরা পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের না-ও নিতে পারেন, এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল ‘দ্য হান্ড্রেড’—নিলামের আগে। বৈষম্য, বিভেদ রুখতে প্রতিটি দলকে বার্তা দিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেট কর্তারা। তার পর আবরারকে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা দিয়ে দলে নিয়েছিলেন সানরাইজার্স কর্তৃপক্ষ। সে জন্য মারানকে সমাজমাধ্যমে নানা রকম কটাক্ষ করা হয়। ভারতের ক্রিকেটপ্রেমীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।