প্রথম ম্যাচে পারেননি। দ্বিতীয় ম্যাচে নিজের জাত চেনালেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনার শাই হোপ। এক দিনের ক্রিকেটে নিজের শততম ম্যাচ খেলতে নেমে শতরান করলেন হোপ। রান পেলেন দলের অধিনায়ক নিকোলাস পুরানও। দু’জনের ব্যাটে ভর করে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩১১ রান করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অর্থাৎ সিরিজ জিততে হলে ৩১২ রান করতে হবে শিখর ধবনদের।
ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ওপেনার। হোপের সঙ্গে মিলে কাইল মেয়ার্স পাওয়ার প্লে-তে দ্রুত রান করছিলেন। ভারতের হয়ে প্রথম এক দিনের ম্যাচ খেলতে নামা আবেশ খানকে নিশানা করেছিলেন তাঁরা। শুরুটা ভাল হল না ডান হাতি পেসারের। প্রথম তিন ওভারেই ৪০ রান দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬ ওভারে আবেশ দেন ৫৪ রান।
ভারতকে ম্যাচে ফেরালেন স্পিনাররা। দীপক হুডা নিজের প্রথম বলেই মেয়ার্সকে ৩৯ রানের মাথায় আউট করেন। তিন নম্বরে নামা শামরা ব্রুকস হোপের সঙ্গে জুটি বাঁধেন। ৩৫ রানের মাথায় তাঁকে আউট করেন অক্ষর পটেল। ব্রেন্ডন কিংকে শূন্য রানের মাথায় সাজঘরে ফেরান যুজবেন্দ্র চহাল।
আরও পড়ুন:
তিন উইকেট পড়ার পরে হোপের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক পুরান। অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে রান করলেন তাঁরা। প্রায় প্রতি ওভারে একটি করে বাউন্ডারি আসছিল। ফলে রানের গতি কমেনি। হাত জমে যাওয়ার পরে বড় শট খেলতে শুরু করেন পুরান। বিশেষ করে স্পিনারদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক শট খেলছিলেন তিনি। দেখে মনে হচ্ছিল শতরান করবেন। কিন্তু ৭৪ রানের মাথায় উইকেট ছেড়ে খেলতে গিয়ে শার্দুল ঠাকুরের বলে বোল্ড হন পুরান।
অধিনায়ক না পারলেও শতরান করলেন হোপ। চহালের বলে ছক্কা মেরে এক দিনের ক্রিকেটে নিজের ১৩তম শতরান করলেন এই ডান হাতি ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ১১৫ রান করে শার্দুলের বলে আউট হন হোপ। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সব থেকে সফল শার্দুল। ৫৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তিনি।