সন্তোষ ট্রফিতে তামিলনাড়ুর পরে অসমের কাছেও আটকে গেল বাংলা। শুক্রবার ঢাকুয়াখানা স্টেডিয়ামে এগিয়ে থেকেও ১-১ ড্র করল বাংলা। প্রথম চার ম্যাচে জেতার পরে পরপর দু’ম্যাচে ড্র নিশ্চিত ভাবেই নক-আউটের আগে কপালের ভাঁজ চওড়া করেছে বাংলা শিবিরের। গ্রুপ ‘এ’-তে ৫ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে যদিও শীর্ষে থেকেই নক-আউটে খেলবেন রবি হাঁসদারা। তবে রক্ষণ এবং আক্রমণ ভাগের ফুটবলারদের গোল নষ্টের প্রবণতা কাজ বাড়িয়ে দেবে বাংলার কোচ সঞ্জয় সেনের।
বাংলা শিবিরের তরফে জানা গিয়েছে, রাজনৈতিক সমাবেশের কারণে এ দিন বাংলা দল স্টেডিয়ামে পৌঁছয় নির্ধারিত সময়ের প্রায় দু’ঘণ্টা পরে। ফলে খেলা শুরু হতে দেরি হয়। এমনকি ম্যাচ শেষে হোটেলে ফিরতেও বেশ রাত হয়ে যায়। টানা ম্যাচ খেলার জন্য এ দিন বাংলার কোচ নামাননি রবি হাঁসদা, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, সুমন দে-কে। দু’প্রান্তে শুরু করেন সুময় সোম, আকাশ হেমব্রম। সামনে ছিলেন বিজয় মুর্মু ও করণ রাই। প্রথম মিনিটেই ডান দিক থেকে সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন আকাশ। কিন্তু তাঁর শট সোজা চলে যায় অসমের গোলরক্ষক নভজ্যোতের হাতে। ১৯ মিনিটে বিজয় মুর্মুর নেওয়া দুরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। বেশ কয়েকটি সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি বাংলা। ৩২ মিনিটে আকাশের গোলে এগিয়ে যায় বাংলা। বাঁ দিক থেকে ভেসে আসা বল সুময়ের পায়ে লেগে চলে যায় অসমের গোলরক্ষকের সামনে। দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে চকিতে গোল করে যান আকাশ।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় অসম। ৫১ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ চলে এসেছিল অসমের সামনে। কিন্তু বাংলার গোলরক্ষক সোমনাথ দত্তকে একা পেয়েও তারা গোল করতে ব্যর্থ হয়। কয়েক মিনিট পরে বাংলার সামনে সুযোগ এলেও ব্যবধান বাড়েনি। ৭৮ মিনিটের মাথায় অসমের প্রাঞ্জল ভুমজির হেড ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হয়। তবে ৮৪ মিনিটে অসমের হয়ে পেলান্টি থেকে সমতা ফেরান ঋতুরাজ মোহন। বক্সের মধ্যে সুদীপ্ত কোনওয়ারকে ড্রিবল করে ফেলে দেন মার্শাল কিস্কু। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দিলে ঋতুরাজ গোল করেন।
অন্য ম্যাচে এ দিন তামিলনাড়ু ১-০ হারিয়েছে উত্তরাখণ্ডকে। নাগাল্যান্ড ২-২ ড্র করেছে রাজস্থানের বিরুদ্ধে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)