Advertisement
E-Paper

যতবার গিয়েছি, উষ্ণতা নাড়া দিয়েছে

ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান ম্যাচ ঘিরে তো বাঙালির বরাবরই অন্য সেন্টিমেন্ট। জন্ম সূত্রে পাওয়া অন্য রকম স্বতঃস্ফূর্ততা। তার উপরে শিলিগুড়ির উষ্ণতা বরাবরই বেশি। বলছেন উপল সেনগুপ্ত। ছোট শহর তো, তাই বড় শহরগুলির তুলনায় এখানে পাড়া-কালচার অনেক বেশি। উষ্ণতা অনেক বেশি। বহু বার অনুষ্ঠান করতে গিয়েছি শিলিগুড়িতে। যত বারই গিয়েছি, এই শহরের আবেগ আমাকে নাড়া দিয়েছে। আর ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান ম্যাচ ঘিরে তো বাঙালির বরাবরই অন্য আবেগ।

শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৩:০৬

প্রশ্ন: ইস্টবেঙ্গল, না মোহনবাগান, কার ঘরের মাঠ মনে হয় শিলিগুড়িকে ?

উত্তর: ছোট শহর তো, তাই বড় শহরগুলির তুলনায় এখানে পাড়া-কালচার অনেক বেশি। উষ্ণতা অনেক বেশি। বহু বার অনুষ্ঠান করতে গিয়েছি শিলিগুড়িতে। যত বারই গিয়েছি, এই শহরের আবেগ আমাকে নাড়া দিয়েছে। আর ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান ম্যাচ ঘিরে তো বাঙালির বরাবরই অন্য আবেগ। জন্ম সূত্রে পাওয়া অন্য রকম স্বতঃস্ফূর্ততা। এই দু’দল মুখোমুখি হলে কলকাতার মতো বড় শহরও তা নিয়ে মেতে ওঠে। শিলিগুড়ি এর ব্যতিক্রম হবে কী ভাবে ?

সত্যি বলতে কী, অনুষ্ঠান করতে ২ তারিখ শিলিগুড়ি রওনা হচ্ছি। একটাই কথা মনে হচ্ছে, যদি একদিন আগে পৌঁছতাম, হয়তো মাঠমুখো হতাম। দেখতে যেতাম অন্য শহরে নিজের প্রিয় দলের ম্যাচ। বরাবরের ইস্টবেঙ্গল সমর্থক আমি। ছোট থেকেই লাল-হলুদের জন্য গলা ফাটিয়েছি, তাই এই ম্যাচ দেখতে যাওয়ার বাড়তি একটা মজা আছে।

আর শিলিগুড়ি শহরটারও তো ইস্টবেঙ্গল সম্পর্কে আলাদা একটা আবেগ রয়েছে। এখানকার বেশিরভাগ মানুষই বোধহয় লাল-হলুদের সমর্থক। আমার প্রিয় দলের জন্য গ্যালারি আবেগে ভাসবে, গোল করলে বাঁধ ভাঙবে উচ্ছ্বাস, সেখানে নিজে হাজির থাকতে পারলে দারুণ হত ব্যাপারটা। আমার তো মনে হয় যুবভারতী কখনও ইস্টবেঙ্গল, কখনও মোহনবাগানের। কিন্তু শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়াম সে দিক থেকে ইস্টবেঙ্গলের ঘরের মাঠ। এই ক্লাবকে জড়িয়ে এখানকার মানুষের এই আবেগেই হয়তো অনেকটা এগিয়ে শুরু করবে ইস্টবেঙ্গল।

আগে তো সব সময় খেলা দেখতে মাঠে যেতাম। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ম্যাচ হলে তো কথাই নেই। এখন আর তা হয়ে ওঠে না। মানে ওই যে উদ্যোগী হয়ে মাঠ পর্যন্ত যাওয়া, সেটাই আর হয় না।

সেটা যে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠায়, তা বলব না। বরং বলব বয়সটাকেই হারিয়ে ফেলেছি। যদিও মাঠে আমার থেকেও বয়স্ক কত মানুষকে দেখি টিভিতে। দল জিতলে উচ্ছ্বাসে ভেসে যান তাঁরা। তবুও নিজের ক্ষেত্রে তা আর ঠিক হয়ে ওঠে না। আসলে খেলা তো দেখতে যেতাম বন্ধুদের সঙ্গে। দল বেঁধে। সেই বন্ধুরাই সব ছিটকে গিয়েছে। মনে হয় সময়টাকেই হারিয়ে ফেলেছি। হারিয়ে গিয়েছে আবহটাও। তাই মেজাজটাও কেমন
হারিয়ে গিয়েছে।

(সাক্ষাৎকার: শ্যামশ্রী দাশগুপ্ত)

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy