ক্রিস লিন অতীত, এই মরসুমে ওপেনিংয়ে নাইট রাইডার্সের তুরুপের তাস হতে পারেন এঁরা
গত মরসুমে আসেনি সাফল্য। সাদামাটা গিয়েছিল মরসুম। আর তাই এ বারে প্রচুর পরিবর্তন ঘটেছে দল। বেশ কয়েক জন বড় নামকে ছেড়েও দিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। যার মধ্যে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ক্রিস লিনও। এই পরিস্থিতিতে কে ওপেন করবেন নাইটদের হয়ে, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। নতুন ওপেনিং কম্বিনেশন তাই খুঁজে নিতে হবে কলকাতাকে।
গত মরসুমে আসেনি সাফল্য। সাদামাটা গিয়েছিল মরসুম। আর তাই এ বারে প্রচুর পরিবর্তন ঘটেছে দল। বেশ কয়েক জন বড় নামকে ছেড়েও দিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। যার মধ্যে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ক্রিস লিনও। এই পরিস্থিতিতে কে ওপেন করবেন নাইটদের হয়ে, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। নতুন ওপেনিং কম্বিনেশন তাই খুঁজে নিতে হবে কলকাতাকে।
রাহুল ত্রিপাঠি: ২০১৭ সালে আইপিএলে প্রথম বার খেলেছিলেন। রাইজিং পুণে সুপারজায়ান্টের হয়ে খেলে সেই মরসুমেই পড়েছিলেন নজরে। পরের দুই মরসুমে রাজস্থান রয়্যালসের স্কোয়াডে ছিলেন রাহুল। গত ডিসেম্বরে হওয়া নিলামে তাঁকে নিয়েছে কেকেআর।
রাহুল ত্রিপাঠি: রাইজিং পুণে সুপারজায়ান্টের হয়ে নিয়মিত ওপেন করতেন রাহুল। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে অবশ্য বেশির ভাগ সময় খেলতেন মিডল অর্ডারে। ওপেনার হিসেবে তাঁর যা রেকর্ড, তাতে শাহরুখের দল শুরুতেই নামাতে পারে তাঁকে।
সিদ্ধেশ লাড: ঘরোয়া ক্রিকেটে মুম্বইয়ের ব্যাটিংয়ের অন্যতম বড় ভরসা হলেন সিদ্ধেশ লাড। গত বছর প্রথম বার আইপিএলে খেলেছেন তিনি। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে সেই ম্যাচে খেলেছিলেন কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে।
সিদ্ধেশ লাড: আইপিএলে খেলার অভিজ্ঞতা অবশ্য সুখের হয়নি সিদ্ধেশের। সেই ম্যাচে তিনি করেন মাত্র ১৫। তার পর আর সুযোগ পাননি প্রথম এগারোয়। তবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তাঁকে ওপেনার হিসেবেই ব্যবহার করতে চেয়েছিল। কলকাতাও যদি তাঁকে ওপেনার হিসেবে ভেবে নেয়, সুবিধাই হবে।
আরও পড়ুন:
সুনীল নারিন: ওপেনার হিসেবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে রীতিমতো তফাত গড়ে দিয়েছিলেন নারিন। অনেক ম্যাচ-জেতানো ইনিংস খেলেছেন তিনি। হয়েছেন ম্যাচের সেরাও। বলের পাশাপাশি তাঁর ব্যাট হয়ে উঠেছে বড় ভরসা।
সুনীল নারিন: প্রাথমিক ভাবে অস্থায়ী ওপেনার হিসেবে দেখা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু এখন তিনিই হয়ে উঠেছেন দলের পয়লা নম্বর ওপেনার। ক্রিস লিনের সঙ্গে তাঁর জুটি আইপিএলের অন্যতম বিধ্বংসী ওপেনিং জুটি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এখন দেখার তাঁকে ওপেনিংয়েই নামানো হয়, নাকি নামিয়ে আনা হয় মিডল অর্ডারে।
টম ব্যান্টন: ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে চোখধাঁধানো পারফরম্যান্সের সুবাদে ক্রিকেটমহলের নজরে আসেন টম ব্যান্টন। তিনি উইকেটকিপারও। তবে দীনেশ কার্তিকের উপস্থিতিতে উইকেটকিপিং করার সম্ভাবনা কম। অবশ্য ব্যাটসম্যান হিসেবে কাজে আসতেই পারেন তিনি।
টম ব্যান্টন: ২০১৯-২০ মরসুমে বিগ ব্যাশ লিগে ব্রিসবেন হিটের হয়ে খেলেছিলেন ব্যান্টন। সেখানে প্রতিযোগিতার ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম পঞ্চাশ করেন। তাঁর ব্যাটিং স্টাইলের সঙ্গে অনেকে কেভিন পিটারসেনের মিল খুঁজে পান। নিশ্চিত ভাবেই আইপিএলে নজর কাড়তে পারেন তিনি।
আরও পড়ুন:
শুভমন গিল: ভারতীয় ক্রিকেটে আগামী দিনের তারকা হিসেবে চিহ্নিত হন গিল। রাজ্য দল পঞ্জাব ও ভারত ‘এ’ দলের হয়ে ধারাবাহিক থেকেছেন তিনি। আর কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলছেন ২০১৮ সাল থেকে।
শুভমন গিল: ২০১৮ সালের আইপিএলে মিডল অর্ডারে ব্যাট করেছিলেন তিনি। কিন্তু গত বারের আইপিএলের মাঝপর্ব থেকে ওপেন করতে শুরু করেন তিনি। আসন্ন আইপিএলে ওপেনার হিসেবেই তিনি খেলবেন বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। আইপিএলে ধারাবাহিক থাকলে ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলেও আসতে পারেন তিনি।