মারিও গোতজের অতিরিক্ত সময়ে করা গোলেই বিশ্বকাপ জিতেছিল জার্মানি। অথচ চার বছর যেতেই বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের পঁচিশ বছরের স্ট্রাইকার রাশিয়া বিশ্বকাপের ২৭ জনের দল থেকে বাদ! তাঁর নিজের কতটা খারাপ লেগেছে ব্যাপারটা?
টুইট করে গোটজে স্বয়ং স্বীকার করেছেন, এ ভাবে বাদ পড়া তাঁর জীবনের একটা বড় ধাক্কা। লিখেছেন, ‘অবশ্যই ভেঙে পড়েছি। রাশিয়ায় যেতে পারব না, ভাবতেও পারিনি।’ ভেঙে পড়লেও ঘুরে দাঁড়ানোর শপথও কিন্তু নিয়েছেন, ‘জাতীয় দলে জায়গা ফিরে পেতে আমি আগামী দিনে সব কিছু করব। আপাতত এ বারের দলের সাফল্য কামনা করছি। আমাদের কোচ যেন হাসিমুখে দেশে ফিরতে পারেন।’
‘আমাদের কোচ’ বলতে জার্মানির ম্যানেজার জোয়াকিম লো! অনেকে বলছেন, গোতজেকে বাদ দেওয়ার মতো নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জার্মানির ম্যানেজার একাই। অথচ এই লো-ই ব্রাজিল বিশ্বকাপের পরে গোতজের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন লিয়োনেল মেসির। এমনকি ফাইনালের আগে তখনকার বছর একুশের এই স্ট্রাইকারকে উদ্বুদ্ধ করতে বলেছিলেন, ‘‘সবাইকে দেখিয়ে দাও, মেসির থেকেও তুমি ভাল খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পারো।’’
কিন্তু হঠাৎ কী হল যে, সাতাশ জনেও রাখা গেল না গোতজেকে? লো বলেছেন, ‘‘হতে পারে চার বছর আগে আমিই ভুল করেছিলাম ওর সঙ্গে মেসির তুলনা করে। অন্তত প্রকাশ্যে এতটা বলা আমার উচিত হয়নি।’’ কেন সেই মন্তব্যকে তাঁর ভুল বলছেন সেটাও ব্যাখ্যা করেছেন, ‘‘আমি ওই কথাটা বলার পর থেকেই মারিও প্রচণ্ড চাপে পড়ে যায়। সব সময় লোকে ওর সঙ্গে মেসির তুলনা শুরু করে। ভেবেছিলাম, মেসির সঙ্গে তুলনা করলে ও আরও ভাল খেলবে। কিন্তু বাস্তবে সেই চাপটা নিতে পারল না। অন্তত এই মরসুমে গোতজেকে যে ভাবে দেখব ভেবেছিলাম, সে ভাবে দেখতে পাইনি। তাই খুব খারাপ লাগলেও ওকে বাদ দিতে হয়েছে।’’