Advertisement
E-Paper

নিউক্যাসলের বিরুদ্ধে হেরে তোপ ক্ষুব্ধ মোরিনহোর

রবিবার সেন্ট জেমস পার্ক স্টেডিয়ামে ম্যান ইউনাইটেড বনাম নিউক্যাসল ম্যাচকে কেন্দ্র করে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। নেপথ্যে জোসে মোরিনহো  বনাম রাফায়েল বেনিতেস দ্বৈরথ। দুই চাণক্যের মুখোমুখি হওয়া মানেই যুদ্ধের আবহ।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৪:২৪
বিধ্বস্ত: নিউক্যাসলের বিরুদ্ধে হারের পরে মোরিনহো। ছবি: রয়টার্স।

বিধ্বস্ত: নিউক্যাসলের বিরুদ্ধে হারের পরে মোরিনহো। ছবি: রয়টার্স।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অঘটন। চার মাস পরে ঘরের মাঠে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়ে জয়ের সরণিতে ফিরল নিউক্যাসল ইউনাইটেড এফসি।

রবিবার সেন্ট জেমস পার্ক স্টেডিয়ামে ম্যান ইউনাইটেড বনাম নিউক্যাসল ম্যাচকে কেন্দ্র করে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। নেপথ্যে জোসে মোরিনহো বনাম রাফায়েল বেনিতেস দ্বৈরথ। দুই চাণক্যের মুখোমুখি হওয়া মানেই যুদ্ধের আবহ।

২০০৪-এ প্রায় একই সঙ্গে ইপিএলে অভিযান শুরু করেন তাঁরা। মোরিনহো ছিলেন চেলসির দায়িত্বে। লিভারপুলের ম্যানেজার ছিলেন বেনিতেস। তখন থেকেই দু’জনের বাগ্যুদ্ধে বারবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে আবহ। ২০০৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালের দ্বিতীয় পর্বে লুইস গার্সিয়ার একমাত্র গোলে হেরেছিল চেলসি। ম্যাচের পর ক্ষুব্ধ মোরিনহো যাকে ‘ভুতুরে গোল’ আখ্যা দিয়েছিলেন। ২০১০ সালে ইন্টার মিলান ছেড়ে রিয়ালে যোগ দেন ‘দ্য স্পেশ্যাল ওয়ান’। আর লিভারপুল ছেড়ে বেনিতেস ইতালির ক্লাবটির দায়িত্ব নেওয়ার পরে মোরিনহোর মন্তব্য ছিল, ‘‘আমার চেয়ে ভাল করতে পারবে না বেনিতেস।’’ সংঘাত শুধু দুই চাণক্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বেনিতেসের স্ত্রীর সঙ্গেও বাগ্যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিলেন মোরিনহো! রবিবার মর্যাদার লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসলেন বেনিতেস-ই।

সেন্ট জেমস পার্ক স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য ভাবে হয়। ৬৯ মিনিটে ম্যাথিউ রিচি গোল করে এগিয়ে দেন নিউক্যাসলকে। ২০১৬ সালের মে মাসে নিউক্যাসলের হয়ে শেষ গোল করেছিলেন তিনি। প্রায় দু’বছর পরে ম্যান ইউনাইটেডকে হারিয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটালেন রিচি। তবে নিউক্যাসলের জয়ের আসল নায়ক রিচি নন, গোলরক্ষক মার্টিন দুব্রাভকা। অভিষেক ম্যাচেই দুর্ভেদ্য হয়ে উঠেছিলেন তিনি। ম্যাচের সেরাও হন মার্টিন। উচ্ছ্বসিত বেনিতেস ম্যাচের পর হাসতে হাসতে বলেছেন, ‘‘আজ লটারির টিকিট কাটলে মার্টিনই হয়তো জিতত।’’ সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘‘ম্যান ইউনাইটেড যে ভয়ঙ্কর, সেটা আমাদের কাছে অজানা ছিল না। কিন্তু আমাদের প্রধান অস্ত্র দলগত সংহতি এবং হার না মানা মানসিকতা। যা আমাদের ম্যাচটা জিততে সাহায্য করেছে।’’

বেনিতেসের দলের বিরুদ্ধে হার কোনও মতে মেনে নিতে পারছেন না মোরিনহো। ম্যাচের পরে ম্যান ইউনাইটেড ম্যানেজারের তোপ, ‘‘পাশবিক ফুটবল খেলেছে ওরা। আশা করি, আমার এই মন্তব্যকে ওরা খারাপ ভাবে নেবে না।’’ তার পরেই যোগ করেছেন, ‘‘ফুটবল ঈশ্বর আজ ওদের শিবিরেই ছিল। টানা দশ ঘণ্টা খেললেও ম্যাচটা জিততে পারতাম না। আমাদের গোল করা আটকাতে ওরা যেন জীবন বাজি রেখে নেমেছিল।’’

২৭ ম্যাচে ৭২ পয়েন্ট নিয়ে ইপিএল টেবলের দ্বিতীয় স্থানে ম্যান ইউনাইটেড। সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে শীর্ষে থাকা ম্যাঞ্চেস্টার সিটি-র পয়েন্ট ৭২। তাই জিতলেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ত না ম্যান ইউনাইটেডের। ম্যাচের পরে হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ম্যান ইউনাইটেড ম্যানেজার বলেছেন, ‘‘আমাদের ডিফেন্ডাররা প্রচুর ভুল করেছে। তা ছাড়া অ্যালেক্সিস স্যাঞ্চেসও সহজ গোল নষ্ট করেছে।’’

Jose Mourinho Football Manchester United Newcastle United EPL
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy