অনূর্ধ্ব-২৩ এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতীয় দলের ব্যর্থতার ছবি বদলাতে মরিয়া সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। জাতীয় দলের জন্য ফুটবলার বাছতে আজ, শনিবার গুয়াহাটি যাচ্ছেন দুই প্রাক্তন ফুটবলার সম্মুগম বেঙ্কটেশ ও সুভাষ চক্রবর্তী।
এএফসি এশিয়ান কাপের মূলপর্বে ভারত চার বার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ১৯৬৪ সালে রানার্সও হন চুনী গোস্বামীরা। অথচ ২০১৪ সালে শুরু হওয়া অনূর্ধ্ব-২৩ এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপের মূল পর্বে কখনও পৌঁছতে পারেনি ভারতীয় দল। এ বার তাই প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার এক মাস আগে থাকতেই আসরে নেমে পড়েছেন জাতীয় দলের নির্বাচকেরা। তাঁদের লক্ষ্য গুয়াহাটিতে শুরু হওয়া অনূর্ধ্ব-২৩ টি আও উত্তরপূর্বাঞ্চল ইন্টারন্যাশনাল গোল্ড কাপ থেকে ফুটবলার বেছে নেওয়া। এই প্রতিযোগিতায় উত্তর পূর্বাঞ্চলের সব রাজ্য ছাড়াও অংশ নিচ্ছে নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশ।
জাতীয় দলে স্টিভন কনস্ট্যান্টাইনের সহকারী ছিলেন বেঙ্কটেশ। এএফসি এশিয়ান কাপে ব্যর্থতার পরেই পদত্যাগ করেন ব্রিটিশ কোচ। বেঙ্কটেশেরই অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কোচ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোচিংয়ের প্রো লাইসেন্স না থাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয় ডেরেক পেরিরাকে। তাঁর সহকারী বেঙ্কটেশ। আর এক প্রাক্তন ফুটবলার সুভাষ এই মুহূর্তে ফেডারেশনের হয়ে প্রতিশ্রুতিমান ফুটবলার খোঁজার দায়িত্বে। বললেন, ‘‘২৩ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমরা গুয়াহাটিতে থাকব। প্রত্যেক দিন দু’টো করে ম্যাচ দেখব। আশা করছি, ভাল কয়েক জন ফুটবলার পাব।’’ অনূর্ধ্ব-২৩ জাতীয় দলের জন্য ফুটবলার নির্বাচনের শর্ত কী? সুভাষের কথায়, ‘‘এই মুহূর্তে ভারতীয় দল যে ধরনের ফুটবল খেলছে, তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে এ রকম ফুটবলারই বাছতে চাই আমরা।’’
অনূর্ধ্ব-২৩ এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে ‘এফ’ গ্রুপে ভারতের সঙ্গে রয়েছে উজ়বেকিস্তান, তাজিকিস্তান ও পাকিস্তান। ২২ মার্চ উজ়বেকিস্তানে প্রথম ম্যাচে ভারতের প্রতিপক্ষ তাজিকিস্তান। দ্বিতীয় ম্যাচ ২৪ মার্চ আয়োজক দেশ উজ়বেকিস্তানের বিরুদ্ধে। ২৬ মার্চ শেষ ম্যাচে ভারতের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। প্রত্যেকটা গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-২৩ এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপের মূল পর্বে খেলবে। দ্বিতীয় স্থানে যারা থাকবে, তাদেরও মূল পর্বে খেলার সম্ভাবনা থাকবে।