Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৬ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied

খেলা

২০০৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতীয় দলের যোদ্ধারা কে কোথায়?

সংবাদ সংস্থা  ২৮ জানুয়ারি ২০১৭ ১৩:৪৪
সচিন তেন্ডুলকর: মাস্টার ব্লাস্টারের সংগ্রহেই ছিল ২০০৩ বিশ্বকাপের সর্বাধিক রান। একটা সেঞ্চুরি এবং ছ’টি হাফ সেঞ্চুরি-সহ ১১টি ম্যাচে ৬১.১৮ গড়ে সচিন রান করেছিলেন ৬৭৩। ২০১১ সালের বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন তিনি। সেই সিরিজে সচিন ছিলেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার। বর্তমানে তিনি যেমনি আইএসএলে কেরল ব্লাস্টার্সের মালিক এবং আইপিএলে মুম্বই দলের মেন্টর।

বীরেন্দ্র সহবাগ: বিশ্বকাপে বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন না সহবাগ। ১১ ম্যাচে ২৭.১৮ গড়ে ২৯৯ রান করেছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি কিঙ্গস ইলেভেন পঞ্জাবের অপারেশন ও স্ট্র্যাটেজিক হেড। সঙ্গে টুইটারের ময়দানেও দিয়ে চলেছেন একের পর এক চমক।
Advertisement
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়: বিশ্বকাপে তাঁর সংগ্রহে ছিল ৪৭৮ রান, গড় ছিল ৫৮.১২। ২০০৫ সাল পর্যন্ত ভারতকে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে এসেছেন। বর্তমানে ধারাভাষ্য দেওয়ার পাশাপাশি আটলেটিকো দি কলকাতা দলের মালিক সৌরভ। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের প্রেসিডেন্ট ও তিনি।

মহম্মদ কাইফ: সেই সময়ের বিশ্বের অন্যতম সেরা ফিল্ডার ছিলেন কাইফ। বিশ্বকাপে কাইফের সংগ্রহে ছিল ১৮২ রান। তবে তারপর বেশিদিন তাঁকে আর জাতীয় দলে খেলতে দেখা যায়নি। তবে ঘরোয়া ক্রিকেট তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে কাইফ ছত্তিশগড় রাজ্য ক্রিকেট দলের কোচ। লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের প্রার্থীও হয়েছিলেন তিনি।
Advertisement
রাহুল দ্রাবিড়: ভারতীয় ক্রিকেটের ‘দ্য ওয়াল’ বিশ্বের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন। ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে তিনি মোট ৩১৮ রান করেন। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে তিনি ‘মেন ইন ব্লু’ দের অধিনায়কত্ব করেন। আর তার কিছুদিনের মধ্যেই অবসর নেন দ্রাবিড়। বর্তমানে তিনি ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ দলের কোচ। তাঁর কোচিংয়েই অনূর্ধ্ব ১৯ দল বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠে।

যুবরাজ সিংহ: ১৪ বছর আগের সেই ফাইনালের একজন যোদ্ধাই আজও খেলে যাচ্ছেন। সেই বিশ্বকাপে যুবির সংগ্রহে ছিল ২৪০ রান। ২০১১ র বিশ্বকাপে যুবরাজ ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হয়েছিলেন। ক্যানসারকে হারিয়ে ফিরেছেন দলে। হালের ইংল্যান্ড সিরিজে করেছেন তাঁর কেরিয়ারের সর্বোচ্চ রান।

দিনেশ মোঙ্গিয়া: মোঙ্গিয়া এই বিশ্বকাপে মোট ১২০ রান করেছিলেন। সঙ্গে ৫টি উইকেটও নিয়েছিলেন। লাগাতার খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য দল থেকে বাদ পড়েন তিনি। ২০০৭ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শেষ বার খেলেন। বর্তমানে চন্ডীগড়ের একটি স্কুলের ক্রিকেট টিমকে কোচিং করান তিনি। ‘কাবাব মে হাড্ডি’ নামের একটি ছবিতেও তিনি অভিনয়ও করেছেন।

হরভজন সিংহ: অফ স্পিনার ভাজ্জির সংগ্রহে রয়েছে ৪১৭টি টেস্ট উইকেট। জাতীয় পর্যায়ে খেলা এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্বকাপে তাঁর সংগ্রহে ছিল ১১টি উইকেট। ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তবে বিগত দুই বছর ধরে তিনি দলের বাইরে। আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলা এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন ভাজ্জি।

জাহির খান: বিশ্বকাপে ভারত থেকে জাহিরই সর্বাধিক উইকেট নিয়েছিলেন। ২০১১ সালের বিশ্বকাপেও তাঁর অবদান ছিল মনে রাখার মতো। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন জাহির।

জাভাগল শ্রীনাথ: বেশ কয়েক বছর ধরে ভারতের পেস অ্যাটাক সামলেছেন শ্রীনাথ। ২০০৩ বিশ্বকাপে শ্রীনাথ ১৬ টি উফকেট নিয়েছিলেন। বর্তমানে ধারাভাষ্যের পাশাপাশি তিনি আইসিসির ম্যাচ রেফারিও। বেশ কিছুদিনের জন্য কর্নাটক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারিও ছিলেন।

আশীষ নেহরা: ২০০৩ বিশ্বকাপে নেহরা ১৫টি উইকেট নিয়েছিলেন। ১৪ বছর ধরে জাতীয় দলে তিনি বেশ কয়েক বার কামব্যাক করেছেন। তবে টি ২০তে তিনি এখনও ভারতীয় দলের সদস্য।

অনিল কুম্বলে: টেস্টে ৬১৯টি উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন কুম্বলে। ২০০৩ বিশ্বকাপে তাঁর সংগ্রহে ছিল ৫ টি উইকেট। ২০০৭ থেকে ২০০৮ সালে ভারতীয় টেস্ট দলকে নেতৃত্বও দিয়েছেন কুম্বলে। ২০০৮ সালে অবসর নেন। তারপর খেলেন আইপিএল। আইপিএলে মুম্বইয়ের মেন্টরও ছিলেন বেশ কিছুদিন। বর্তমানে তিনি ভারতীয় দলের কোচ।

অজিত আগরকর: ২০০৩ বিশ্বাকাপে দলে থাকলেও একটা ম্যাচেও খেলেননি আগরকর। বর্মমানে তিনি পেশাদার গল্ফ খেলোয়াড়।

পার্থিব প্যাটেল: রাহুল দ্রাবিড় উইকেটকিপিং করায় ১৭ বছরের পার্থিবকে একটি ম্যাচেও খেলানো হয়নি সেই বিশ্বকাপে। তারপর ধোনি আসায় তাঁকে আর সেই ভাবে মাঠে দেখা যায়নি। ঋদ্ধিমান সাহা আহত হওয়ায় গত নভেম্বরে ফের পার্থিব সুযোগ পান ভারতীয় দলে। গুজরাত অধিনায়ক হিসাবে প্রথম বার রঞ্জি চ্যাম্পিয়নও হয়েছেন তিনি।

সঞ্জয় বাঙ্গার: আগরকর ও পার্থিবের মতো সঞ্জয় বাঙ্গারও বিশ্বকাপে একটি ম্যাচ খেলেননি। ২০১৩ সালে অবসর নেওয়ার পর বেশ কিছুদিন ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচ ছিলেন বাঙ্গার।