রোজভ্যালি মামলায় এ বার মুখ্যসচিবকে চিঠি দিল সিবিআই। সঙ্গে তলব করা হল অর্থ দফতরের অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি (ওএসডি)-কেও। সিবিআই সূত্রে খবর, বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ তাদের এক আধিকারিক নবান্নে ওই দু’টি চিঠি দিয়ে এসেছেন। কেন্দ্রীয় ওই গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, সারদার মতো রোজভ্যালি মামলাতেও তারা রাজ্য সরকারের কাছ থেকে বেশ কিছু নথি চেয়েছিলেন বিভিন্ন সময়ে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই সমস্ত নথির বেশির ভাগই তারা পাননি রাজ্য সরকারের কাছ থেকে। সেই সূত্রেই ফের নবান্নে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

রাজ্য সরকারের কয়েকটি বিজ্ঞপ্তি, রোজভ্যালির লাইসেন্স এবং জমি সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য ও নথি নবান্নের কাছে চেয়েছিল সিবিআই। এমনটাই সিবিআই সূত্রে খবর। এ দিন সকালে যে সিবিআই আধিকারিক নবান্নে পৌঁছন, তিনি নিজেকে আনোয়ার শাহ বলে নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে পরিচয় দেন। তিনি মুখ্যসচিবের অফিসে ওই চিঠি পৌঁছে দেন। অন্য একটি চিঠি দেওয়া হয় অর্থ দফতরের ওএসডি-কে।

সিবিআই সূত্রে খবর, অর্থ দফতরের ওএসডি-কে গত পরশু দিন অর্থাৎ ১৮ অক্টোবরের মধ্যে সিবিআই দফতরে দেখা করতে বলা হয়েছে। রোজভ্যালি বেআইনি অর্থলগ্নির কারবার চালানোর পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হোটেল ব্যবসা খুলেছিল। মন্দারমণি, মেদিনীপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় হোটেল তৈরি করেছিল গৌতম কুণ্ডুর সংস্থা। রোজভ্যালি গোষ্ঠী এ ছাড়াও রাজ্যর বিভিন্ন প্রান্তে প্রচুর পরিমাণে জমি কিনেছে। জমি কেনা, অর্থ লগ্নি-সহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানার জন্য সিবিআইয়ের তরফে অর্থ দফতরের ওএসডি-র সাহায্য চাওয়া হয়েছে। তবে বর্তমানে অর্থ দফতরে তিন জন ওএসডি আছেন। সিবিআই কাকে চিঠি দিয়েছে, তা স্পষ্ট নয় এখনও।

আরও পড়ুন: অযোধ্যা শুনানিতে চূড়ান্ত নাটক, ম্যাপ ছিঁড়লেন আইনজীবী, ওয়াক আউটের হুমকি প্রধান বিচারপতির

আরও পড়ুন: যা বলবেন মেনে নেব, ধরে নেবেন না, কাশ্মীরে ধড়পাকড় নিয়ে কেন্দ্রকে ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

রোজভ্যালি তদন্তে আরও গতি বাড়াচ্ছে তারা, এমনটাই সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের একটি অংশের ইঙ্গিত, প্রাথমিক তদন্তে কয়েক জন আমলার ভূমিকা সামনে এসেছে। সেগুলি কেন এবং কী কারণে তা বোঝার জন্যই নথিগুলি প্রয়োজন। নথি হাতে পেলে তাঁরা বুঝতে পারবেন কার কী ভূমিকা ছিল।