• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ব্যবধান কমছে দৈনিক আক্রান্ত ও সুস্থের মধ্যে, সংক্রমণের হারে শঙ্কা

corona
গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ

এ যেন সাপলুডো। টানা ২০ দিন ধরে ৪ হাজারের উপরেই ঘোরাফেরা করছিল দৈনিক সুস্থের সংখ্যা। গত ১৯ নভেম্বর থেকে তা ৩ হাজারের গণ্ডিতে নেমেছে। শনিবারও সেই প্রবণতা বজায় রইল। তবে দৈনিক আক্রান্তের থেকে এ দিনও দৈনিক সুস্থের সংখ্যা বেশি। বেড়েছে সুস্থতার হারও। কিন্তু সংক্রমণের হার ৮ শতাংশের উপরেই রয়ে গিয়েছে। তাতে প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ রয়েই গেল।

কিছু দিন আগেই সংক্রমণের চেহারা খানিকটা চুপসে গিয়েছিল। কিন্তু গত ৩ দিন ধরে তা ফের ফুলতে শুরু করেছে। তার ফলে দৈনিক আক্রান্ত আর দৈনিক সুস্থের মধ্যে এ বার ব্যবধান কমছে। শুক্রবারের তুলনায় শনিবার সেই দূরত্ব আরও কিছুটা কমল। স্বাস্থ্য দফতরের শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৩৯ জন। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এখন হয়েছে ৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৭০।

সংক্রমণ বাড়লেও, রাজ্যে দৈনিক সুস্থের সংখ্যা এখনও দৈনিক আক্রান্তের উপরেই রয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৭৯৪ জন। ফলে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ১৯ হাজার ৪০৩। এ দিন সুস্থতার হার অবশ্য গত কালকের থেকে বেড়ে হয়েছে ৯২.৬৩ শতাংশ।

(গ্রাফে হোভার টাচ করলে দিনের পরিসংখ্যান দেখা যাবে)

আরও পড়ুন: রাতভর আলোচনার পর শোভন-বৈশাখী নিয়ে ফের তাল কাটল সকালের এক ফোনে

আরও পড়ুন:রাজ্যে টিকা পরীক্ষা হবে ডিসেম্বরেই

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে। ফলে কমছে দৈনিক সুস্থের সংখ্যাও। এর পাশাপাশি দৈনিক মৃতের সংখ্যা ৫০-এর ঘরেই আটকে থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে প্রশাসনের। এ দিন ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে রাজ্যে করোনায় প্রাণ হারালেন ৭ হাজার ৯৭৬ জন। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৯ জন মারা গিয়েছেন কলকাতায়। হাওড়ায় ৬ জন, হুগলি এবং পশ্চিম বর্ধমানে ৪ জন করে প্রাণ হারিয়েছেন।

সংক্রমণের হারও এ দিন গত কালকের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী এ দিন সংক্রমণের হার ৮.২৩ শতাংশ। শুক্রবার তা ছিল ৮.২১ শতাংশ।

সংক্রমণের নিরিখে রাজ্যে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮৯০। পাল্লা দিচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনাও। এ দিন সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ৮৪২ জন। এ ছাড়া হুগলি (২৮৮), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (২৮৩) হাওড়া (২১১) এবং নদিয়া (২০৫)-য় দৈনিক সংক্রমণ দুশোরও বেশি। দার্জিলিং (১১৯) এবং জলপাইগুড়ি (১০৩)-তে সংক্রমণ শতাধিক।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন