প্রথমবার বিমানে চড়ার যেমন রোমাঞ্চ থাকে, তেমন ভয়ও থাকে। ব্যাগপত্র স্ক্যানিং, চেকিং, কোথায়-কখন লাইন দিতে হবে তা নিয়ে ভাবনা থাকেই। তা ছাড়া, হাজার নিয়মের বেড়াজালে দিক্ভ্রান্ত মনে হতে পারে নিজেকে। তাই বিমান সফরের আগে প্রাথমিক কয়েকটি বিষয় জানা জরুরি। দুশ্চিন্তামুক্ত যাত্রার জন্য কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন?
আএটিএ: বোর্ডিং পাস, ব্যাগেজের থাকে তিন শব্দের একটি কোড। আইএটিএ হল প্রতিটি বিমানবন্দরের জন্য নির্ধারিত একটি কোড বা অনন্য পরিচয়পত্র। বিমানবন্দরে অসংখ্য বিমান ওঠা-নামা করছে, তাদের গন্তব্যও ভিন্ন। সেই ভিড়ে ব্যক্তি বিশেষের গন্তব্য কোনটি, তা তিন অক্ষরের কোড দিয়েই নিশ্চিত করা হয়। বোর্ডিং পাস এবং লাগেজ স্ক্যান করার পরে এই কোড দেওয়া ট্যাগ লাগিয়ে দেওয়া হয়। যেমন কলকাতা বিমানবন্দরের জন্য আইটিএ কোড সিসিইউ।
লে ওভার: এই শব্দের অর্থ জেনে রাখা প্রয়োজন। কোনও স্থানে পৌঁছনোর জন্য হয়তো দু’টি বিমান ধরতে হবে। প্রথম বিমান পৌঁছে দেবে যে বিমানবন্দরে, সেখানে পরের বিমানের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এই স্টপটিকেই বলা হয় লে ওভার।
এয়ারসাইড এবং ল্যান্ডসাইড: এয়ারসাইড এবং ল্যান্ডসাইড হল বিমানবন্দরের দু’টি অংশ। বিমানবন্দরের গেট দিয়ে ঢুকে যে অংশ লাগেজ স্ক্যান করানো হয়, দোকানপাট থাকে, আত্মীয়েরাও দেখা করতে পারেন সেই অংশটি হল ‘ল্যান্ডসাইড’। নিরাপত্তার ধাপ পেরিয়ে এক বার সেখান থেকে এয়ারসাইডে চলে গেলে ফেরা মুশকিল। আবার নিরাপত্তার সমস্ত ধাপ পেরিয়ে ফিরতে হবে।
ডিজি যাত্রা: বিমানযাত্রা সহজ হয়ে যাবে মোবাইলে এই অ্যাপটি থাকলে। লগ ইন করার পর এখানেই বোর্ডিং পাস আপলোড করে দিন। এতে বিমানবন্দরে সময় বাঁচবে। আধুনিক ‘ডিজিটাল রেকগনিশন টেকনোলজি’র সাহায্যে বিমানযাত্রীদের সরাসরি বিমানে ওঠার সুযোগ দেওয়া হয় এর মাধ্যমে।