বন-জঙ্গল, ইতিহাস, স্থাপত্য, লোকশিল্প— এমন নানা আকর্ষণে ভরপুর ভারতবর্ষের হৃদয় মধ্যপ্রদেশ। চলুন না দিন কয়েকের জন্য ঘুরে আসি সেই মধ্যপ্রদেশের স্বল্প চেনা সঞ্জয় ডুবরি জাতীয় উদ্যান থেকে বহু পরিচিত খাজুরাহো। মোটামুটি দিন সাতেক লাগবে এই পথ ঘুরতে। প্রথমেই যাওয়া যাক সঞ্জয় ডুবরি জাতীয় উদ্যান।

অনেকেই হয়তো সাদা বাঘ ‘মোহন’-এর কথা শুনে থাকবেন। ১৯৫১ সালে রেওয়ার মহারাজা যাকে জঙ্গল থেকে এনে গোবিন্দগড়ে রেখেছিলেন। এই মোহনের সঙ্গিনী বাঘিনী রাধা সাদা শাবকের জন্ম দেওয়ায় সাড়া পরে যায় চার দিকে। এখন মনে করা হয় যে, বিশ্বজুড়ে চিড়িয়াখানায় যত সাদা বাঘ আছে তারা এদেরই উত্তরসূরী। তার পর অনেক কাল কেটে গিয়েছে। মোহনের বাসভূমি ব্যাঘ্র প্রকল্পের আওতায় এসেছে। ন্যাশনাল পার্ক বা জাতীয় উদ্যানের তকমা পেয়েছে ১৯৭৫ সালে। জঙ্গলের পোশাকি নাম হয়েছে ‘সঞ্জয় ডুবরি ন্যাশনাল পার্ক’। বনবিভাগের ওয়েবসাইট থেকে আগাম বুকিং করে নেওয়া আবশ্যিক। জিপসি সাফারি ছাড়াও হাতির পিঠে চড়ে ঘুরে বেড়ানো যায়। স্বল্প চেনা এই জঙ্গলে ঘোরার অভিজ্ঞতা বেশ আকর্ষণীয়। শাল-সেগুনের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে চলে গিয়েছে গাড়ির রাস্তা। কখনও বা যেতে হয় নদীর বুক চিরে।

মজার কথা হল, এখানকার জন্তু-জানোয়ার বেশ লাজুক প্রকৃতির, সে হরিণের দল হোক বা বাঘমামা। কান্‌হা বা বান্ধবগড়ের জন্তু-জানোয়ার অনেক বেশি অভ্যস্ত মানুষ দেখতে। তাই জীপভর্তি লোকজন হাজির হলেও তাদের মধ্যে বেশি হেলদোল দেখা যায় না। কিন্তু সঞ্জয় ডুবরির বাসিন্দারা অতটা অভ্যস্ত নয়। মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তীসগঢ়ের সীমানার নিকটবর্তী এই জঙ্গলের প্রধান আকর্ষণ বাঘ। রয়েছে ভল্লুক, সম্বর, নীলগাই, চিতল ইত্যাদি। এ ছাড়া পাখিও আছে নানা প্রজাতির। বনদপ্তরের কথা অনুযায়ী মাঝেমধ্যে ছত্তীসগঢ়ের দিক থেকে হাতির হানাও ঘটে এই জঙ্গলে। ১ অক্টোবর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত খোলা থাকে জঙ্গলের দরজা।  

বানাস নদীর তীরে পারসিলি। সেখানেই টুরিস্ট লজ খুলেছে মধ্যপ্রদেশ পর্যটন উন্নয়ন নিগম (এমপিটিডিসি)। এখানে থেকে অনায়াসে ঘুরে নেওয়া যায় সঞ্জয় ডুবরি জাতীয় উদ্যান। লজ থেকে মাত্র ১০কিমি দূরেই জঙ্গলের প্রবেশদ্বার। এই টুরিস্ট লজে থাকার বাড়তি আকর্ষণ হল ‘বেয়ার ফুট ট্রেকিং’ অর্থাৎ খালি পায়ে ট্রেকিং। লজের নির্দিষ্ট গাইডের সঙ্গে চলুন খালি পায়ে বানাস নদীর মধ্যে দিয়ে। এখানকার বালুকণা এত মিহি যে তার উপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার মজাই আলাদা।

কীভাবে যাবেন: নিকটবর্তী বিমানবন্দর হল খাজুরাহো, প্রায় ৮০কিমি দূরে । ট্রেনে গেলে নামতে হবে রেওয়া, তার পর সড়কপথে আরও ১০কিমি।  

কোথায় থাকবেন: মধ্যপ্রদেশ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের পারসিলি ট্যুরিস্ট লজ।

পারসিলি থেকে মুকুন্দপুর হয়ে ঘুরে নিন মধ্য প্রদেশের অন্যতম দু’টি উচ্চ জলপ্রপাত— চাচাই এবং কেওটি। বিহড় নদীর উপর চাচাই ফলস এবং মাহানা নদীর উপর কেওটি ফলস। দুইয়েরই উচ্চতা প্রায় ১৩০ মিটার। সময় পেলে অবশ্যই দেখে নেবেন মুকুন্দপুরের মহারাজা মার্তণ্ড সিংহ হোয়াইট টাইগার সাফারি অ্যান্ড ‌জ়ু।   

এখান থেকে দু’টি বিকল্প আছে। সরাসরি চলুন পান্না অথবা চিত্রকূট হয়ে পান্না। রামচন্দ্রের জীবনকাহিনীর সঙ্গে জড়িত চিত্রকূট ভাগাভাগি হয়েছে মধ্যপ্রদেশ ও উত্তর প্রদেশের মধ্যে। মন্দাকিনী নদী সীমানা ভাগ করেছে দুই রাজ্যের। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে চিত্রকূট এক পবিত্র তীর্থ। প্রাচীন কালে মুনি-ঋষিরা এখানে বাস করতেন। ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বরের কাহিনি ছাড়াও রামায়ণে এর উল্লেখ আছে। রামায়ণ অনুযায়ী বনবাসের শুরুতে চিত্রকূটে এসে পৌঁছন রাম, লক্ষ্মণ ও সীতা। এখানেই বসবাস শুরু করেন তাঁরা। ইতিমধ্যে ভরত অযোধ্যায় ফিরে সব শুনে চিত্রকূটে হাজির হলেন সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন বলে। কিন্তু রামের অনড় প্রতিজ্ঞার কাছে তাঁকে হার মানতে হল। ফিরে যেতে হল অযোধ্যায়। 

মন্দাকিনী নদীর পাড়ে রামঘাট। বাড়ি-ঘর-দোকান-বাজার নিয়ে ব্যস্ত অঞ্চল। মনে পড়িয়ে দেবে বারাণসীর ঘাটের কথা। সকাল-সন্ধে পুণ্যার্থীদের ভিড় লেগেই আছে। সন্ধেবেলা গঙ্গার (মন্দাকিনী) তীরে আরতি দেখতে হাজির হন সবাই। তা ছাড়া নদীর বুকে নৌকাবিহারের ব্যবস্থাও আছে। চম্বল এক্সপ্রেস করে হাওড়া ও গোয়ালিয়রের মধ্যে যাতায়াত করার সময় এই ঘাটের একঝলক দেখা যায়। 

মন্দিরময় চিত্রকূট দেখতে দিন দুয়েক লেগেই যায়। শ্রীরামচন্দ্রের চিত্রকূটে বসবাসের নানা কাহিনি ঘিরে তৈরি একাধিক মন্দির। পাথরের গায়ে রয়েছে তাঁদের পদচিহ্ন। পুণ্যার্থীদের ভিড় সব জায়গাতেই। নৌকা করে যেতে হয় রামঘাট থেকে রাঘব প্রয়াগ ঘাট। বলা হয়, এখানে মন্দাকিনী, সাবিত্রী ও পয়স্বিনী নদীর সঙ্গমে পিতৃতর্পণ করেন শ্রীরামচন্দ্র। জলপথেই পৌঁছতে পারেন প্রমোদ বন— রয়েছে লক্ষ্মী-নারায়ন, রাম-জানকী ও অন্যান্য মন্দির। চিত্রকূট শহরের চার ধাম বাস স্ট্যান্ড থেকে বাসে বা অটোতে চেপে যাওয়া যায় হনুমানধারা পাহাড়ের নীচে অবধি। তার পর প্রায় ৩৫০সিঁড়ি ভেঙে পৌঁছবেন পাহাড়ের মাথায় মন্দির ও প্রস্রবণ দেখতে। কিংবদন্তি অনুযায়ী, লেজের আগুনে লঙ্কা পোড়ানোর পর যখন যন্ত্রণায় কাতর হনুমান, তখন তীর মেরে এই প্রস্রবণ সৃষ্টি করেন রামচন্দ্র। এই জলধারায় আগুনের জ্বালা জুড়ায় হনুমানের। পাহাড় থেকে নেমে ফেরার পথে দেখে নিতে পারেন চিত্রকূটের চার ধাম— গুপ্ত গোদাবরী, সতী অনসূয়া মন্দির, স্ফটিক শিলা ও জানকী কুণ্ড। রামচন্দ্র ও ভরতের সাক্ষাতস্থলে হয়েছে ‘ভরত মিলাপ মন্দির’।

কীভাবে যাবেন: নিকটবর্তী বিমানবন্দর হল খাজুরাহো ও রেলস্টেশন হল ঝাঁসি-মানিকপুর রেললাইনের উপর চিত্রকূট ধাম স্টেশন, শহর থেকে প্রায় ১২ কিমি দূরে।

কোথায় থাকবেন: চিত্রকূটে নানা মানের হোটেল আছে। রাজ্য পর্যটন নিগমের দু’টি টুরিস্ট লজ আছে— মন্দাকিনী লজ ও টুরিস্ট লজ। রেওয়াতে থাকার জন্য আছে এমপিটিডিসি-র হোটেল ‘বিন্ধ্য রিট্রিট’।

হীরের খনির জন্যে একদা বিখ্যাত পান্না এখন মধ্যপ্রদেশের অন্যতম পরিচিত ন্যাশনাল পার্ক। কেন নদীর কোলে প্রায় সাড়ে পাঁচশো বর্গকিমি জুড়ে এই জাতীয় উদ্যানে রয়েছে লেপার্ড বা চিতাবাঘ, ভল্লুক, নীলগাই, শম্বর, চিংকারা, ইত্যাদি। আছে প্রায় ২০০ প্রজাতির পাখি। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে কেন নদী বয়ে চলেছে— কোথাও গভীর গিরিখাতের মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়েছে জলধারা। কেন নদীর জলে দেখতে পাওয়া যাই ঘড়িয়াল। জঙ্গলে বেড়ানোর জন্যে আগাম বুকিং করে যাওয়াই ভাল। ঘড়িয়াল দেখার জন্য নৌকা চড়ে পাড়ি দিন কেন নদী। জাতীয় উদ্যানের বাফার জোনে নাইট সাফারির ব্যবস্থাও আছে। জঙ্গল দর্শনের ফাঁকে দেখে নিন পাণ্ডব ফল্‌স। ঘন সবুজ জঙ্গলের মাঝে কোনও অজানা শিল্পী যেন তুলির টানে সৃষ্টি করেছে এক রজতশুভ্র জলধারা। বলা হয়, এখানকার পাহাড়ের ঢালে জলের আড়ালে থাকা গুহার মধ্যে দিয়েই অজ্ঞাতবাসের সময় পার হয়েছিলেন পঞ্চপাণ্ডব।

কীভাবে যাবেন: নিকটতম বিমানবন্দর খাজুরাহো, প্রায় ৪৫কিমি দূরে। নিকটতম রেল স্টেশন হল সাতনা (৭০কিমি) ও খাজুরাহো।

কোথায় থাকবেন: জাতীয় উদ্যানের মাদলা প্রবেশ তোরণের কাছে মাদলা জঙ্গল ক্যাম্প।

পান্না জাতীয় উদ্যান দেখা সাঙ্গ করে চলুন খাজুরাহোর উদ্দেশে। চান্দেলা রাজবংশের হাতে ৯৫০-১০৫০ খ্রিস্টাব্দে তৈরি অপূর্ব মন্দিররাজি দেখতে। পাথর কুঁদে তৈরি দেবতা থেকে মানুষ থেকে পশু-পাখি চিত্রায়িত ওই নিখুঁত শিল্পকলার সামনে দাঁড়ালে অবাক না হয়ে পারা যায় না। খাজুরাহো নিয়ে লেখা হয়েছে অজস্র, বহু আলোচিত হয়েছে সেখানকার মিথুন ভাস্কর্য। কিন্তু মনে রাখবেন, এই মিথুন ভাস্কর্য কিন্তু মোট স্থাপত্যের দশ শতাংশ।

যদিও মোটামুটি একটা পুরো দিন দিলেই খাজুরাহোর মন্দিরগুলো দেখে নেওয়া সম্ভব। কিন্তু জায়গাটি ভালভাবে উপভোগ করতে হলে, দুটো দিন হাতে রাখুন।

খাজুরাহোর মন্দিরগুলি তিন ভাগে বিভক্ত— ওয়েস্টার্ন গ্রুপ বা পশ্চিম গোষ্ঠী , ইস্টার্ন গ্রুপ বা পূর্ব গোষ্ঠী  এবং সাদার্ন গ্রূপ বা দক্ষিণ গোষ্ঠী । পশ্চিম গোষ্ঠী র মন্দিরগুলি বেশি দর্শনীয় এবং বিখ্যাত। তাই এদের ঘিরেই গড়ে উঠেছে শহর— হোটেলের সারি, রেস্তরাঁ, দোকান-বাজার, ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস ইত্যাদি। যদিও বেশির ভাগ দর্শক সকালে ওয়েস্টার্ন গ্রুপ দেখে বিকেলে পূর্ব ও দক্ষিণের মন্দির দেখতে যান। তবে সন্ধেবেলা পশ্চিম গ্রুপের কাছে ফিরে আসতে হবে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো দেখতে। তাই সকালে রওনা দিয়ে দক্ষিণ ও পূর্ব গোষ্ঠী র মন্দিরগুলি দেখে, লাঞ্চ সেরে চলুন পশ্চিম গোষ্ঠী র মন্দিরগুলি দেখতে। লাইট অ্যান্ড সাউন্ড অনুষ্ঠান দেখে ফিরে আসুন হোটেলে। সাধারণত, অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি সন্ধে সাড়ে ছ’টা থেকে শুরু হয় ইংরেজি ভাষার শো এবং সাতটা চল্লিশ থেকে শুরু হয় হিন্দি ভাষার শো। মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর শুরু হয় যথাক্রমে সাড়ে সাতটা এবং আটটা চল্লিশ মিনিটে। ৫৫ মিনিটের শো প্রত্যেকটি।

মনে করা হয়, এক সময় এখানে ৮৫টি মন্দির ছিল, যার মাত্র ২০টি আজ বর্তমান। চান্দেলা রাজবংশের পতনের পর হারিয়ে যায় মন্দিরগুলি। ১৮৩৮ সালে এক ইংরেজ সার্ভেয়র এই মন্দিরগুলি খুঁজে পান। হিন্দু ধর্মের মন্দির এখানে বেশি, আর আছে কিছু জৈন মন্দির।

পশ্চিম গোষ্ঠীর মন্দি— প্রায় বিশ বছর লেগেছিল লক্ষ্মণ মন্দির তৈরি করতে। বিষ্ণুর উদ্দেশে তৈরি এই মন্দিরটি অন্যান্য মন্দিরের প্রায় অক্ষত অবস্থায় আছে। এর সমানেই বরাহমন্দির, ভিতরে প্রায় দেড় মিটার উঁচু বরাহমূর্তি। ৩০ মিটার উঁচু কাণ্ডারী ও মহাদেব মন্দিরের মূল শিখর ঘিরে আরও ৮৪টি শিখর রয়েছে। এর সঙ্গেই রয়েছে আর একটি শিবমন্দির ও দেবী জগদম্বার মন্দির। রয়েছে দুই মিটারেরও বেশি উঁচু নন্দীমূর্তি। এ ছাড়াও রয়েছে চিত্রগুপ্ত মন্দির, পার্বতী মন্দির, মাতঙ্গেশ্বর মন্দির, চৌষট্টি যোগিনী মন্দির, ইত্যাদি।

পূর্ব গোষ্ঠী র তিনটি জৈন মন্দির— পার্শ্বনাথ, আদিনাথ ও শান্তিনাথ— অবশ্য দ্রষ্টব্য। দক্ষিণ গোষ্ঠী র মন্দিরগুলির মধ্যে দুলাদেও মন্দিরটি সম্ভবত এই সময়ের শেষ নিদর্শন। তাই অন্যান্য মন্দিরের অনেক ছাপ এখানে দেখা যায়। এ ছাড়া আছে চতুর্ভূজ মন্দির। মন্দির দেখার পাশাপাশি দেখে নিতে পারেন পুরাতাত্ত্বিক মিউজিয়াম (পশ্চিম গোষ্ঠী র সঙ্গে একই দিনে দেখলে, একই টিকিটে হয়ে যাবে। শুক্রবার বাদে প্রতি দিন শীতকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা অবধি খোলা) ও ট্রাইবাল মিউজিয়াম (সোমবার ও সরকারি ছুটির দিন বাদে রোজ দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮তা অবধি খোলা)।

ইতিহাস, স্থাপত্য ও মূর্তিকলা থেকে একটু মুক্তি পেতে হলে ঘুরে আসুন রানে ফল্‌স। খাজুরাহো থেকে ১৮কিমি দূরে প্রায় ৩০ মিটার উঁচু থেকে ধাপে ধাপে ঝাঁপিয়ে পড়ছে কেন নদী।

প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় ‘খাজুরাহো ডান্স ফেস্টিভ্যাল’। ১৯৭৫ সাল থেকে চলে আসা এই নৃত্য উৎসব আজও সমান আকর্ষণীয়। দেশের নানা প্রান্ত থেকে নামী-দামি শিল্পীরা আসেন এখানে। এই নৃত্য উৎসব দেখতে হলে কিন্তু যথেষ্ট আগেই হোটেল বুকিং করতে হবে।

কীভাবে যাবেন: খাজুরাহো শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় দু’কিমি দূরে খাজুরাহো বিমানবন্দর। দিল্লি, মুম্বই, বারাণসী, ইনদওর ইত্যাদি জায়গা থেকে সরাসরি উড়ান আসছে। ট্রেনে এলে সাতনা নেমে সড়ক পথে আরও ১১৫কিমি।   

কোথায় থাকবেন: খাজুরাহোতে হোটেলের অভাব নেই যদিও পর্যটন মরসুমে, বিশেষ করে শীতকালে, আগাম বুকিং করে যাওয়া বাঞ্ছনীয়। রয়েছে এমপিটিডিসি-র ‘হোটেল পায়েল’ ও ‘হোটেল ঝংকার’।

বিশদ জানতে ও বুকিং এর জন্য যোগাযোগের ঠিকানা:

এমপিটিডিসি: ‘চিত্রকূট’, রুম নং ৬৭, ৬ষ্ঠ তল, ২৩০-এ, এজেসি বোস রোড, কলকাতা ৭০০০২০।

যোগাযোগ: (০৩৩)২২৮৩৩৫২৬। টেলিফ্যাক্স: (০৩৩) ২২৮৭৫৮৫৫

ইমেল: kolkata@mpstdc.com