×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১১ এপ্রিল ২০২১ ই-পেপার

বিজেপির ‘জুলুম’, প্রতিবাদে বনগাঁ-দক্ষিণেশ্বর রুটে বাস বন্ধ

নিজস্ব সংবাদদাতা 
বনগাঁ ০৮ মার্চ ২০২১ ০৬:৩৪
বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছে বাস। ছবি: নির্মাল্য প্রামাণিক।

বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছে বাস। ছবি: নির্মাল্য প্রামাণিক।

বিজেপি-র ‘জুলুমের’ প্রতিবাদে রবিবার বাস ধর্মঘট করলেন বনগাঁ-দক্ষিণেশ্বর রুটের (ডিএন-৪৪) বাস মালিক সিন্ডিকেট। তাঁদের বক্তব্য, বাস ভাড়া করা নিয়ে অসত্য কথা বলছেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। বাস আটকে জোর করে যাত্রীদের নামিয়েও দিয়েছে বিজেপি কর্মীরা।

ধর্মঘটের ফলে এ দিন বাস ধরতে এসে ভোগান্তির মধ্যে পড়েন যাত্রীরা। অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যান। সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই রুটে মোট ৩৮টি বাস চলাচল করে।

ডিএন-৪৪ বাস মালিক সিন্ডিকেটের অভিযোগ, শনিবার সকালে এবং সন্ধ্যায় দু’দফায় গাইঘাটার চাঁদপাড়া এবং গাইঘাটা থানার মোড় এলাকায় যশোর রোডে বিজেপি জোর করে বাস আটকায়। এর ফলে যাত্রী পরিষেবা ব্যাহত হয়। দু’দফায় ১৩টি বাস আটকানো হয়েছিল। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয় ও তা স্বাভাবিক করে।

Advertisement

বিজেপির দাবি, রবিবারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সভার জন্য বাস সংগঠনের কাছে বাস ভাড়া চাওয়া হয়েছিল। তৃণমূলের বাস মালিক সিন্ডিকেটগুলি চক্রান্ত করে ভাড়ার অগ্রিম টাকা নিয়েও ব্রিগেডের সভার জন্য বাস দেয়নি। এরই প্রতিবাদে শনিবার সন্ধ্যায় বনগাঁ মহকুমার বাটার মোড়ে, ১ নম্বর রেলগেট এলাকায়, গাইঘাটায়, গোপালনগরে, নহাটায়, হেলেঞ্চায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির নেতা কর্মীরা। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন কর্মীরা। বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক দেবদাস মণ্ডল বলেন, “বাস মালিকেরা বাস দিতে চেয়েছিলেন। কর্মীরা বাস চালাতেও চেয়েছিলেন। তাঁদের দোষারোপ করব না। কিন্তু আইএনটিটিইউসি-র নতুন এক নেতা বাস মালিকদের হুমকি দিয়ে বলেছেন, বাস ভাড়া দিলে বাস বসিয়ে দেওয়া হবে। আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তার প্রতিবাদ করেছি। বাস ধর্মঘট করে মানুষকে হয়রানি করার জবাব মানুষ ভোটে দিয়ে দেবেন।”

ডিএন-৪৪ বাস মালিক সিন্ডিকেটের সহ-সভাপতি নারায়ণ ঘোষের অভিযোগ, “শনিবার বিজেপি জোর করে বাস আটকে রেখেছিল। যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। উল্টে বিজেপি প্রচার করছে আমরা নাকি অগ্রিম ভাড়া নিয়ে বাস দিইনি। সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা। বিজেপি বাসের জন্য আমাদের কাছে চিঠি দিয়ে কোনও আবেদন করেনি। আমাদের নিয়ম, বাস ভাড়া করতে হলে সিন্ডিকেটের কাছে আবেদন করতে হয়। এখন নির্বাচনের জন্য পুলিশ প্রশাসন অনেক বাস নিয়ে নিয়েছে। তাই বাস নিতে হলে প্রশাসনের মাধ্যমে নিতে হচ্ছে। সিপিএম ব্রিগেড সভার জন্য প্রশাসনের মাধ্যমে বাস নিয়েছিল। বিজেপির এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এদিন ধর্মঘট পালন করা হয়েছে।”



Tags:

Advertisement