গঙ্গাসাগর মেলায় এসে প্রাণ হারালেন এক পুণ্যার্থী। চলতি বছর এই প্রথম। অসম থেকে এসেছিলেন মিঠু মণ্ডল নামে ওই ব্যক্তি। স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি। অন্য দিকে, প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৬০ লক্ষ পুণ্যার্থী উপস্থিত হয়েছেন গঙ্গাসাগর মেলায়৷
সূত্রের খবর, মিঠুর বয়স ৫০ বছরের আশপাশে। মেলায় এসে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। সাগরের অস্থায়ী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
রাত পোহালেই মকর সংক্রান্তি। সেই উপলক্ষে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে সাগরদ্বীপে। গঙ্গাসাগরে চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে মঙ্গলবার দুপুর ৩টে পর্যন্ত ৬০ লক্ষ পুণ্যার্থী এসেছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
পুণ্যার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সে দিকে নজর রেখেছে প্রশাসন। নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় সড়কের যে সব অংশে স্থায়ী স্ট্রিট লাইট নেই, সেখানে অস্থায়ী ভাবে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। উস্তি রোড, খড়িবেড়িয়া থেকে বিষ্ণুপুর থানা, শিরাকল থেকে কপাটহাট, ফলতার বিস্তীর্ণ এলাকা এবং বঙ্গনগর— এই সব জায়গায় অতিরিক্ত আলো বসানো হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করে দিনে-রাতে নজরদারি চালানো হবে। পৈলান থেকে হটুগঞ্জ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ২২টি অস্থায়ী পুলিশ বুথ বসানো হয়েছে। যে কোনও সমস্যায় পুণ্যার্থীরা এখান থেকে তাৎক্ষণিক সহায়তা পাবেন। সব মিলিয়ে মোতায়েন থাকবেন প্রায় ৬০০ প্রশিক্ষিত হোমগার্ড, সিভিক ভলান্টিয়ার ও ভিন জেলার পুলিশকর্মী। যানজটপ্রবণ আমতলা, খড়িবেড়িয়া ও নেতড়া মোড়ে বাড়তি নজরদারি থাকবে। এ ছাড়া গোটা রাস্তা জুড়ে রাখা হয়েছে সাতটি ব্রেকডাউন ভ্যান, যাতে কোনও যান খারাপ হলে দ্রুত সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা যায়।