E-Paper

রায়দিঘিতে আবাসের ঘর পাওয়া নিয়ে বিতর্ক

কঙ্কনদিঘি পঞ্চায়েতের ২৩৮ নম্বর বুথের বাসিন্দা আকাশ নস্কর। মাটির এক কামরার ঘরে পরিবার নিয়ে কোনও রকমে থাকেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১০:১৩
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

ভোটের মুখে আবাস তালিকার ঘর নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে রায়দিঘি বিধানসভার কঙ্কনদিঘি এলাকায়। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, আশ্রয়হীন ও প্রকৃত প্রাপকদের ঘর না দিয়ে বেছে বেছে তৃণমূল কর্মীদেরই ঘর পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েও ঘর মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছেন বাসিন্দাদের একাংশ।

কঙ্কনদিঘি পঞ্চায়েতের ২৩৮ নম্বর বুথের বাসিন্দা আকাশ নস্কর। মাটির এক কামরার ঘরে পরিবার নিয়ে কোনও রকমে থাকেন। সরকারি ঘরের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু আবাস তালিকায় দেখা যায়, তাঁর নামে ঘর আসেনি। অথচ, পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও ঘর পেয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী অমল ঘোষ। একাধিক বার ঘরের জন্য আবেদন জানিয়েও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ।

একই অভিযোগ বহু বাসিন্দার। আকাশ বলেন, “পরিবার নিয়ে মাটির ঘরে কোনওমতে মাথা গুঁজে থাকি। পাকা ঘরের জন্য আবেদন জানিয়েছিলাম। স্বচ্ছল তৃণমূল কর্মী ঘর পেয়েছেন, কিন্তু আমরা পেলাম না।” আর এক বাসিন্দা বিশাখা নস্কর বলেন, “প্রত্যেক ভোটে আমাদের মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হয়। অথচ, ঘর দেওয়া হয়নি।” তৃণমূল কর্মী অমল ঘোষের সাফাই, "আমি যোগ্য প্রাপক। তাই ঘর পেয়েছি। এটা নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই।"

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই বুথ থেকে বিজেপি প্রার্থী শেফালি ঘোষ জয়ী হয়েছিলেন। সেই রাগে এই বুথের বাসিন্দাদের সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপির। শেফালি বলেন, “যোগ্য প্রাপকেরা ঘর পাচ্ছেন না। অথচ, বড় পাকা বাড়ি রয়েছে, এমন তৃণমূল কর্মীরাও ঘর পেয়ে গিয়েছেন।” বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি দিপু বর বলেন, “আবাস নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন তৃণমূল নেতারা। মানুষ ওঁদের চালাকি ধরে ফেলেছেন।”

মথুরাপুর ২ ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি উদয় হালদারের প্রতিক্রিয়া, “ভোটের আগে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে বিজেপি। মানুষ ওদের চক্রান্তে পা দেবে না।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Raidighi Awas Yojana

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy