Advertisement
E-Paper

পহেলগাঁও কাণ্ড: এনআইএ-র নজরে এ বার গাজ়ার সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস! বৈসরনে হামলাকারী জঙ্গিদের সঙ্গে যোগ ছিল? তদন্ত

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের উপর হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। সেই হামলায় স্থানীয় এক বাসিন্দা-সহ ২৬ জন নিহত হয়েছিলেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ ১২:০৫
পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকা। এখানেই জঙ্গি হামলা হয়েছিল। ফাইল চিত্র।

পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকা। এখানেই জঙ্গি হামলা হয়েছিল। ফাইল চিত্র।

জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে হামলায় তদন্তে পরিধি আরও বাড়াল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। এ বার তাদের তদন্তের আওতায় গাজ়ার সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসও। বৈসরন উপত্যকায় পর্যটকদের উপর হামলার ঘটনায় এই সশস্ত্র গোষ্ঠী জঙ্গিদের মদত জুগিয়েছিল কি না, তা খতিতে দেখছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, তাদের চার্জশিটে হামাস-যোগের বিষয়টি উল্লেখ করেছে এনআইএ।

ওই সূত্রের খবর, চার্জশিটে এনআইএ উল্লেখ করেছে, পাক জঙ্গি সংগঠন লশকর এবং দ্য রেজিসট্যান্স ফ্রন্ট-সহ আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে হামলাকারী জঙ্গিদের যোগ থাকতে পারে। আর সেই সূত্র ধরেই হামাস তদন্তকারীদের নজরে। এ বার সেই সূত্র ধরেই গাজ়ার সশস্ত্র গোষ্ঠীও এনআইএ-র আতশকাচের তলায়। প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের উপর হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। সেই হামলায় স্থানীয় এক বাসিন্দা-সহ ২৬ জন নিহত হয়েছিলেন। জঙ্গিদের হামলার ধাঁচ দেখেই সেই সময় গোয়েন্দারা সন্দেহ করেছিলেন, এই ধরনের হামলার সঙ্গে গাজ়ার সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের মিল রয়েছে। এমনকি সেই সময় ইজ়রায়েলও দাবি করেছিল, জঙ্গিহানার সঙ্গে হামলার সঙ্গে হামাসের মিল খুঁজে পাচ্ছে তারা।

তদন্ত যত এগিয়েছে, এই হামলায় বেশ কয়েকটি যোগসূত্র তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। তবে এ বার তারা চার্জশিটে হামাসের কথা উল্লেখ করেছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ পহেলগাঁওয়ে হামলায় হামাসের একটা প্রচ্ছন্ন মদত থাকলেও থাকতে পারে। ফলে গোয়েন্দাদের আতশকাচের তলায় এ বার গাজ়ার সশস্ত্র গোষ্ঠী। প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওয়ে হামলার পর পর পাকিস্তানের মাটিতে হামাসের কয়েক জন শীর্ষ নেতাকে দেখা গিয়েছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়। সম্প্রতি হামাসের শীর্ষ নেতা নাজি জ়াহিরকেও লশকরের এক অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল বলে বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পহেলগাঁও কাণ্ডে করাচির এক ব্যাঙ্কের নাম উঠে এসেছে। হত্যাকাণ্ডের পর জঙ্গিনিধন অভিযান ‘অপারেশন মহাদেব’-এর সময়ে দু’টি মোবাইল উদ্ধার হয়েছিল। তার মধ্যে একটি মোবাইল কেনা হয়েছিল করাচির ওই ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে। ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতীতেও জঙ্গিহানার তদন্তে ওই ব্যাঙ্কের নাম উঠে এসেছিল। পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী লশকর-এ-ত্যায়বাকে অর্থমজুত করতে সাহায্য করার অভিযোগ উঠেছিল করাচির ওই ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে। দাবি করা হয় করাচির ওই ব্যাঙ্কে অতীতে অ্যাকাউন্ট ছিল লশকরের। উল্লেখ্য, গত বছর পহেলগাঁওয়ে হামলাতেও উঠে আসে লশকরের নাম। তাদের ছায়া সংগঠন ‘দ্য রেজ়িস্ট্যান্স ফোর্স’ (টিআরএফ) হামলা চালিয়েছিল পহেলগাঁওয়ে। এ ছাড়া আল কায়েদা ‘ঘনিষ্ঠ’ কুয়েতি সংগঠন লাজনত-আল-দাওয়ার সঙ্গেও এই ব্যাঙ্কের যোগ ছিল— এমন তত্ত্বও অতীতের তদন্তে উঠে এসেছে।

NIA
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy