পরীক্ষার আগে বেশির ভাগ সময়টাই কেটেছে হাসপাতালে। খেতে হয়েছে অনেক ওষুধ। তবুও রোগের ভয়ে কাবু হননি যতীন চাহর। রাজস্থানের গথ গ্রামের এই পড়ুয়া ২০২৬-এর জেইই অ্যাডভান্সড-এ ছিনিয়ে নিয়েছেন তৃতীয় স্থান। পেয়েছেন ৩১৯ নম্বর।
জানা গিয়েছে, পরীক্ষার আগেই দু’বার জন্ডিস এবং একবার টাইফয়েড-এর কবলে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। বাড়ি থেকে হাসপাতালে বার বার যাতায়াত করতে হয়েছিল দ্বাদশের পড়ুয়াকে। তবুও হার মানেননি যতীন। ওই অবস্থাতেও পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছেন।
সংবাদমাধ্যমকে কৃতী জানিয়েছেন, মা বাবা এবং শিক্ষকেরা তাঁর উপর ভরসা রেখেছিলেন বলে লড়াইটা চালিয়ে যেতে পেরেছিলেন তিনি। তাঁর কথায়,“যদি লক্ষ্য স্থির থাকে, তা হলে যে কোনও বাধা পেরোনো অসম্ভব নয়।”
সূত্রের খবর, যতীন প্রস্তুতি পরীক্ষা (মক টেস্ট) দিতেন সব সময়। প্রতিটি পরীক্ষায় কতটা ভুল উত্তর লিখছেন, কোথায় সমস্যা হচ্ছে— তাতেই বেশি নজর থাকত তাঁর। প্রতিদিন পাঠ্য বিষয় ঝালাই করে নিতেন। তবে নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়া কিংবা ঘুমের সঙ্গে আপস করেননি কখনই।
যতীনের বাবা দীনেশ চাহর ভারতীয় বায়ুসেনার ওয়ারেন্ট অফিসার এবং মা মনিকা কুমারী ঘর সামলান। তাঁরা যতীনকে সব সময় সাহস যুগিয়েছেন এবং অতিরিক্ত চাপ নিয়ে যাতে পড়াশোনা না করেন, সেই পরামর্শই দিয়েছেন। এই সাফল্যের কৃতিত্ব যতীন সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান। পরবর্তীতে তিনি আইআইটি বোম্বে থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়তে আগ্রহী।