E-Paper

জেরার সময়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টা ধৃতকে, পুলিশের ‘লাঠিচার্জ’

বারাসত পুলিশ জেলা সূত্রের খবর, মাস দুই আগে বারাসত ২ নম্বর ব্লকের দাদপুর পঞ্চায়েতের অধীন পাকদহ গ্রামে একটি বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। তাতে মইনউদ্দিন ওরফে ছোলা নামে এক জনের বিরুদ্ধে বোমা রাখা ও বোমা ছোড়ার অভিযোগ ছিল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ০৬:৪৭

— প্রতীকী চিত্র।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন ধৃতকে থানা থেকে ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার বারাসত পুলিশ জেলার অধীন শাসন থানায় ধুন্ধুমার বাধে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেয়। এক ব্যক্তিকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।

বারাসত পুলিশ জেলা সূত্রের খবর, মাস দুই আগে বারাসত ২ নম্বর ব্লকের দাদপুর পঞ্চায়েতের অধীন পাকদহ গ্রামে একটি বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। তাতে মইনউদ্দিন ওরফে ছোলা নামে এক জনের বিরুদ্ধে বোমা রাখা ও বোমা ছোড়ার অভিযোগ ছিল। এ দিন মইনউদ্দিন অন্য একটি মামলায় বারাসত আদালতে হাজিরা দিতে যাচ্ছিল। রাস্তা থেকে তাকে শাসন থানার পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে এলে অভিযুক্তের পরিজন ও পরিচিতেরা থানায় চড়াও হন। অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে ধৃতকে থানা থেকে বার করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়। ঘটনার নেতৃত্ব দিচ্ছিল আলাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তদন্তকারীরা জানান, ধৃতের বাড়ি দাদপুরের পাকদহে। বোমাবাজির ঘটনায় অভিযুক্ত মইনউদ্দিনের বিরুদ্ধে শাসন থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। পুলিশের দাবি, তার নামে একাধিক মামলা রয়েছে। সেগুলির একটিতে হাজিরা দিতে যাওয়ার সময়েই রাস্তা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তা জানাজানি হতেই স্থানীয় লোকজন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শাসন থানায় এসে জড়ো হতে শুরু করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পরিবারের কয়েক জন থানায় গিয়ে মইনউদ্দিনকে গ্রেফতারের কারণ জিজ্ঞাসা করে সদুত্তর পাননি। তার পরে তাঁরা শাসন থানায় চড়াও হন ও পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে মহিলারাও ছিলেন। দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ চলায় থানার বাইরে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে কয়েক জন জখম হন।

মইনউদ্দিনের আত্মীয়া জাহানারা বিবির অভিযোগ, ‘‘মইনউদ্দিনকে অন্যায় ভাবে রাস্তা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আমরা গ্রেফতারের কারণ জিজ্ঞাসা করেছিলাম। কিন্তু পুলিশ কিছু না বলে আমাদের লাঠি দিয়ে মেরে বার করে দেয়। মহিলাদেরও মারধর করা হয়েছে।’’ বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আসামিকে ছিনতাই করে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। যে কারণে পুলিশ লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

arrest Police Interrogation Shasan

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy