তদন্ত শুরু হতেই তির ঘুরে গেল অন্য দিকে!
ডোমকল থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এনায়েত নগরে তাঁকে পাচার করে দেওয়ার সুতোয় জড়িয়ে জড়িয়ে পড়ল ওই তরুণীর স্বামীও। বৃহস্পতিবার, সে তথ্য সামনে আসতেই ডোমকলের ইসলামটুলি থেকে মাসাদুল ইসলাম ও তার ভাই আকবর আলিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ডোমকলের এসডিপিও মাকসুদ হাসান বলেন, ‘‘গোটা ঘটনায় একটি বড় নারী পাচার চক্র জড়িয়ে রয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। এমনকি পাচার হওয়া মহিলাদের উদ্ধার করার ছলে তাদের সুদূর কোনও প্রদেশে বিক্রি করে দেওয়ার পিছনে স্থানীয় কোনও সেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরাও জড়িয়ে থাকতে পারে বলে পুলিশের অনুমান।’’
তিনি জানান, পুলিশ জানতে পেরেছে, মাসাদুল ও তার ভাই আকবর ৮১ হাজার টাকায় মহিলাকে বিক্রি করেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার এনায়েত নগরের এক পাচারকারী, মোজাহার আলির কাছে। সে খবরের সূত্র ধরেই জেলা পুলিশের এসআই হুমায়ুন কবীর ওই এলাকায় গিয়ে মহিলাকে উদ্ধার করেন। তবে ওই ঘটনায় মোজাহারের বাবা যে সাহায্য করেছিলেন, তা জানাতেও ভুলছে না পুলিশ। পুলিশের দাবি, ৩০ জুলাই, স্ত্রীকে, ‘চলো ইসলামপুর বাজার থেকে বেড়িয়ে আসি’, বলেই নিয়ে গিয়েছিল মাসাদুল। আড়াই বছরের ছেলেকে রেখে গিয়েছিল বাড়িতে। সেখানে গিয়ে তাকে মাদক মেশানো মিষ্টি খেতে দিয়ে বেহুঁশ করে আকবরের হাতে তুলে দেয় সে। আর আকবরের হাত থেকে বহরমপুর স্টেশনে হাত বদল করে এনায়েত নগরের মোজাহার আলির হাতে পড়ে যায় ওই তরুণী। তবে গোটা ঘটনা সাজানো বলে দাবি মাসাদুলের পরিবারের।