Advertisement
E-Paper

এ বার জাহাঙ্গির! হাফপ্যান্ট পরিয়ে ‘পুষ্পা’কে ফলতায় ঘোরাল পুলিশ, নিয়ে গেল বাড়ি, দলীয় দফতরে

গত ৮ জুন নেপাল সীমান্ত থেকে জাহাঙ্গিরকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। সূত্রের খবর, নেপাল সীমান্ত দিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন ‘পুষ্পা’।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ ১৯:১২
ফলতার রাস্তায় হাফপ্যান্ট পরিয়ে ঘোরানো হল জাহাঙ্গির খানকে।

ফলতার রাস্তায় হাফপ্যান্ট পরিয়ে ঘোরানো হল জাহাঙ্গির খানকে। — নিজস্ব চিত্র।

এ বার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানকে হাফপ্যান্ট পরিয়ে ফলতায় ঘোরাল পুলিশ। তবে অন্যান্য জায়গার মতো এ ক্ষেত্রে কোমরে দড়ি পরানো হয়নি। বৃহস্পতিবার ফলতার রাস্তায় তাঁর হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে যায় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল জাহাঙ্গিরকে। তৃণমূলের দফতরেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেখানে তাঁর উপস্থিতিতে চলে তল্লাশি অভিযান। তোলাবাজির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনার পুনর্নির্মাণও করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

গত ৮ জুন নেপাল সীমান্ত থেকে জাহাঙ্গিরকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। সূত্র মারফত এ-ও জানা যায় যে, নেপাল সীমান্ত দিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন ‘পুষ্পা’। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান এসটিএফের আধিকারিকেরা। পাকড়াও করা হয় ফলতার পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীকে। তার পরে নিয়ে আসা হয় কলকাতায়।

গত ২১ মে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন হয়েছিল। নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ান জাহাঙ্গির। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমার স্বপ্ন ছিল সোনার ফলতার। আমাদের সম্মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী (শুভেন্দু অধিকারী) ফলতার উন্নয়নের জন্য স্পেশ্যাল প্যাকেজ দিচ্ছেন। সেই জন্য আমি ২১ মে যে পুনর্নির্বাচন আছে, সেই লড়াই থেকে আমি নিজেকে দূরে সরিয়ে নিলাম।’’ ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেও ইভিএমে তৃণমূলের প্রতীকের পাশে জাহাঙ্গিরের নাম ছিল। ৭,৭৮৩টি ভোট পান তিনি।

ভোটের সময়ে জাহাঙ্গিরের ‘ঝুকেগা নেহি’ সংলাপ ঘিরে সরগরম হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। ফলতার নির্বাচনের আগে জাহাঙ্গিরের বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ। ফলতা থানায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলা রয়েছে জাহাঙ্গিরের নামে। তোলাবাজির মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এ বার এলাকায় ঘোরানো হল।

এর আগে বেশ কয়েক জন তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের পরে কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরানো হয়। এই নিয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চায় কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের পর্যেবক্ষণ, পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারে। কিন্তু তার পর ইচ্ছাকৃত ভাবে তাঁর সম্মানহানি করতে পারে না। কেন এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে, তিন সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিয়ে রাজ্যকে তা জানাতে হবে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy