Advertisement
E-Paper

উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ সভাপতি পদে ইস্তফা পার্থের, ‘সসম্মানে সরে যাওয়াই ভাল’, বললেন মন্ত্রী

তৃণমূল সরকারের আমলে পছন্দের ব্যক্তিদের বিভিন্ন পদে বসিয়ে কার্যত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃত্ব স্থাপন করার চেষ্টা চলেছিল বলে বার বার অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতা বদলের পর ওই ব্যক্তিদের আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ণায়ক পদে রাখতে চায় না বিজেপি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ ১৯:১৯
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ছবি: সংগৃহীত।

উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পার্থ কর্মকার। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার স্কুলশিক্ষা দফতরে নিজের পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছেন তিনি।

ঘটনাচক্রে বৃহস্পতিবারই বিকাশ ভবনে পূর্বতন সরকারের মনোনীত পদাধিকারীদের সরে যাওয়ার কথা জানান উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট জানান, কলেজ পরিচালন সমিতি বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসমিতি থেকে ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন। বাকিরাও নিজ সম্মান বজায় রেখে সরে দাঁড়ানোই ভাল।

গত ৯ মে শপথ নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারী সরকার। তার পরই নির্দেশিকা জারি করে বিদায়ী সরকারের মনোনীত পদাধিকারীদের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। ভেঙে দেওয়া হয় সব কলেজের পরিচালন সমিতি। কিন্তু, এখনও কোনও কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসমিতি বা কলেজ পরিচালন সমিতিতে মনোনীত সদস্যেরা রয়ে গিয়েছেন বলে দাবি জগন্নাথের। এমনকি আচার্য মনোনীত সদস্যদেরও সরে দাঁড়ানো উচিত বলে মনে করেন তিনি। কারণ, তাঁদের সুপারিশও করেছিল তৃণমূল সরকার।

২০২৬ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার চলাকালীন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি বদল করে তৃণমূল সরকার। তৎকালীন সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যকে রাতারাতি সরিয়ে পদে বসানো হয় পার্থ কর্মকারকে। তখনও বাকি ছিল প্র্যাকটিক্যাল-সহ কিছু পরীক্ষা। এর পর রাজ্যে পালাবদল ঘটে যায়। জারি করা হয় সরকার মনোনীত পদাধিকারীদের সরে যাওয়ার নির্দেশিকা। কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ বাকি ছিল। তাই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, স্কুল সার্ভিস কমিশন-সহ সব পদ থেকে সভাপতি ও চেয়ারম্যানেরা সরে গেলেও পার্থ কর্মকার ইস্তফা দেননি।

উচ্চ মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ করেন তিনি। তার পরও প্রায় এক মাস উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নানা কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আগেই অবশ্য সরে যেতে হয়েছিল সংসদের সচিব তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কন্যা প্রিয়দর্শিনী মল্লিক।

তৃণমূল সরকারের আমলে পছন্দের ব্যক্তিদের বিভিন্ন পদে বসিয়ে কার্যত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃত্ব স্থাপন করার চেষ্টা চলেছিল বলে বার বার অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতা বদলের পর ওই ব্যক্তিদের আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ণায়ক পদে রাখতে চায় না বিজেপি।

কিন্তু বাস্তব বলছে, এক ধাক্কায় সব পদাধিকারীদের সরিয়ে দেওয়া এবং পরিচালন সমিতি ভেঙে দেওয়ার ফলে সমস্যা পড়ছে কলেজগুলি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারি প্রতিনিধিরা যোগ না দেওয়া পর্যন্ত বৈঠক করতে পারছেন না কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রশাসনিক নানা কাজ আটকে থাকছে। যদিও এ সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে বলেই আশ্বাস উচ্চ শিক্ষা দফতরের।

West Bengal Council of Higher Secondary Education university
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy