Advertisement
E-Paper

সব গ্রন্থাগার থেকে সরবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বই! দায়িত্ব নিয়েই জানালেন নতুন মন্ত্রী

গ্রন্থাগারের আধুনিকীকরণ, কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে সেগুলির পুনরুজ্জীবনে নতুন সরকার সচেষ্ট হবে বলেও আশ্বাস দেন। পাশাপাশি স্কুলের পাঠাগারগুলিতে পর্যাপ্ত বই রাখার বিষয়েও তাঁরা উদ্যোগী হবেন বলে জানিয়েছেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ ১৭:৩৯
Gouri Sankar Ghosh the Minister of Mass Education Extension and Library Services declares No library in West Bengal will stock any books written by Mamata Banerjee

প্রতীকী ছবি।

যে সব বই থেকে নতুন প্রজন্ম কিছু শিখতে পারবে না, তা গ্রন্থাগারে রাখার কোনও প্রয়োজন নেই। এমনই মনে করেন রাজ্যের জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ। তাই দ্রুত রাজ্যে সব গ্রন্থাগার থেকে সরিয়ে ফেলা হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা সব বই। বৃহস্পতিবার বিকাশ ভবনে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলের এবং অন্য সব গ্রন্থাগারে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বই রাখার সরকারি নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে সেই সময়ই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। নব নির্বাচিত বিজেপি সরকার সাফ জানিয়ে দিল, অপ্রয়োজনীয় কোনও বই গ্রন্থাগারে রাখা হবে না। বরং ভারতের প্রাচীন ইতিহাস সংস্কৃতি, বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমচন্দ্র, কাজী নজরুল ইসলামের বইও থাকবে বলে জানান গৌরীশঙ্কর। পাশাপশি তিনি তুলে আনেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কথাও। তিনি বলেন, “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বছরের পর বছর ধরে। এ বার তাঁর জীবন ও কর্ম নিয়ে তথ্য সমৃদ্ধ বই থাকবে গ্রন্থাগারে। এঁদের ভুলে গেলে বাঙালি বলব কাদের?”

তিনি স্পষ্ট জানান, রাষ্ট্রাবাদী, জাতীয়তাবাদী লেখালিখি ঠাঁই পাবে গ্রন্থাগারগুলিতে। বিজ্ঞান ও আর্থ-সামাজিক বিষয়ে এমন কিছু রচনা যা পড়ুয়াদের উন্নতিতে সাহায্য করবে, তা-ই রাখা হবে গ্রন্থাগারে। তাঁর কথায়, “এপাং-ওপাং-ঝপাংয়ের মতো অপ্রয়োজনীয় লেখালিখি পড়ুয়াদের কোনও কাজে লাগে না। তাই ওগুলি সরিয়ে ফেলা হবে।”

এরই পাশাপাশি উঠে আসে গ্রন্থাগারগুলির সার্বিক পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রসঙ্গ। মন্ত্রী স্বীকার করে নেন কর্মী সঙ্কট রয়েছে। তিনি জানান, গ্রন্থাগারের আধুনিকীকরণ, কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে সেগুলির পুনরুজ্জীবনে নতুন সরকার সচেষ্ট হবে বলেও আশ্বাস দেন। পাশাপাশি স্কুলের পাঠাগারগুলিতে পর্যাপ্ত বই রাখার বিষয়েও তাঁরা উদ্যোগী হবেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর মতে, স্কুলে পর্যাপ্ত বই থাকলে পড়ুয়ারা গৃহশিক্ষকের উপর নির্ভরতা কমিয়ে স্কুলেই মনোনিবেশ করবে। একই সঙ্গে ই-পাঠাগারেও জোর দেওয়া হবে বলে তাঁর দাবি।

Mamata Banerjee E-Library
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy