E-Paper

মামলায় জিতে চাকরি, পেনশনও মিলল কোর্টে

গৌতম দে নামে ওই শিক্ষকের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত ও অর্ক নন্দী জানান, প্রথম জীবনে পার্শ্বশিক্ষক হিসেবে চাকরি করতেন গৌতম। সেই কারণে বয়সের ছাড় পেয়ে ২০১২ সালে এসএসসি-র শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় বসেছিলেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৬:৫৮

— প্রতীকী চিত্র।

চাকরি পেতেও কোর্টে মামলা করতে হয়েছিল। এ বার অবসরের পর প্রাপ্য পেনশন পেতেও ফের কোর্টের দ্বারস্থ হতে হল এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে। গৌতম দে নামে ওই শিক্ষকের মামলায় শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিংহের পর্যবেক্ষণ, ওই শিক্ষক পেনশন পাওয়ার যোগ্য। তাঁকে পেনশন দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। বিচারপতি সিংহ জানিয়েছেন, কোর্টের নির্দেশ পাওয়ার ছ’সপ্তাহের মধ্যে মামলাকারীর পেনশন চালু করতে হবে। বকেয়া পেনশনও ‘এরিয়ার’ হিসেবে মিটিয়ে দিতে হবে।

গৌতম দে নামে ওই শিক্ষকের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত ও অর্ক নন্দী জানান, প্রথম জীবনে পার্শ্বশিক্ষক হিসেবে চাকরি করতেন গৌতম। সেই কারণে বয়সের ছাড় পেয়ে ২০১২ সালে এসএসসি-র শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় বসেছিলেন। কিন্তু প্রথমে চাকরি পাননি।মামলা করে তিনি জানান যে তাঁকে প্রাপ্য নম্বর দেওয়া হয়নি। মামলায় প্রমাণিত হয় যে তাঁকে প্রাপ্য নম্বরের থেকে কম দেওয়া হয়েছে এবং ২০১৩ সালে হাই কোর্টের তৎকালীন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত গৌতমকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দেন। যদিও এসএসসি সেই নির্দেশ পালন করে ২০১৫ সালে গৌতমকে নিয়োগপত্র দেয়। ২০২৩ সালে গৌতম অবসর নিয়ে রাজ্য পেনশনের আর্জি খারিজ করে জানায় যে দশ বছর চাকরি না-করায় তিনি পেনশন পাবেন না। তার বিরুদ্ধে মামলা করেন গৌতম।

আইনজীবীদের যুক্তি মেনে নিয়ে কোর্ট জানিয়েছে যে ২০১৩ সালেই গৌতমের চাকরি পাওয়ার কথা। এসএসসি-র গাফিলতিতে তাঁর চাকরি পেতে আরও দু’বছর লেগেছে। তাই ২০১৩-২০২৩, তাঁর কর্মজীবনের দশ বছর পূর্তি হওয়ায় তিনি পেনশনের যোগ্য। সেই হিসেবে ২০২৩ সাল থেকেই তাঁর পেনশন চালু হওয়ার কথা। পেনশন চালুর পাশাপাশি সেই প্রাপ্য মিটিয়ে দিতে হবে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Pension Government employee

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy