E-Paper

দড়ি নিয়ে খেলার সময়ে ফাঁস, মৃত্যু কিশোরের

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিশোর তার ভাইকে নিয়ে প্রতিদিন দক্ষিণ তপসিয়া রোডে খেলতে আসত। এ দিন বিকেল ৫টা নাগাদ বাড়ি সংলগ্ন একটি চারতলা ফ্ল্যাটের নীচে খেলা করছিল দুই ভাই।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৫ ০৭:৩৪
মৃত কিশোরের বয়স ১২ বছর।

মৃত কিশোরের বয়স ১২ বছর। —প্রতীকী চিত্র।

দুই ভাই দড়ি নিয়ে খেলতে গিয়ে গলায় ফাঁস লেগে মৃত্যু হল এক কিশোরের। শনিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে তপসিয়া থানার দক্ষিণ তপসিয়া রোডে। মৃত কিশোরের বয়স ১২ বছর বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জানা গিয়েছে, সংলগ্ন তিলজলা শিবতলা লেনের বাসিন্দা ওই কিশোর। একটি পাঁচতলা ফ্ল্যাটের একতলায় বাবা মা এবং দুই ভাই-বোনের সঙ্গে থাকত সে। স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির পড়ুয়া ওই কিশোর। পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কিশোর তার ভাইকে নিয়ে প্রতিদিন দক্ষিণ তপসিয়া রোডে খেলতে আসত। এ দিন বিকেল ৫টা নাগাদ বাড়ি সংলগ্ন একটি চারতলা ফ্ল্যাটের নীচে খেলা করছিল দুই ভাই। সিঁড়িতে দড়ি টাঙিয়ে খেলা করছিল তারা। দড়িতে দোল খাওয়ার সময়ে কোনও ভাবে কিশোরের গলায় দড়ির ফাঁস আটকে যায়। দাদার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে দেখে ছোট ভাই দ্রুত মাকে ডাকতে যায়। সেই সময়ে মা বাড়িতে ছিলেন না। দিদিকে টিউশনি থেকে আনতে গিয়েছিলেন।

শিশুটি বাড়িতে কাউকে না পেয়ে স্থানীয়দের ডেকে আনে। দ্রুত তাঁরা কিশোরকে অচৈতন্য অবস্থা থেকে উদ্ধার করে কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তপসিয়া থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়।

স্থানীয়েরা পুলিশকে জানিয়েছেন, তাঁরা যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছন, তখন ওই কিশোর অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে ছিল। ওই অবস্থাতেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁরা। খবর পেয়ে কিশোরের মা আসেন। কিন্তু তত ক্ষণে সব শেষ। ঘটনার তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, তাদের বাড়িতেও দোলনা ছিল। তারা দুই ভাই সেখানেও খেলা করত। সে ভাবেই দড়ি টাঙিয়ে এ দিন খেলছিল দুই ভাই।

রবিবার কিশোরের দেহের ময়না তদন্ত করা হয়। এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, ‘‘শ্বাসরোধ হয়ে যাওয়ার ফলে কিশোরের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে ময়না তদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। সেটি এলেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Topsia police investigation

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy