Advertisement
E-Paper

সংক্রমণ ঠেকাতে অক্সিমিটার বরাদ্দ

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, শীঘ্রই জেলাগুলিতে নির্দিষ্ট সংখ্যক পালস অক্সিমিটার পৌঁছবে। দফতর সূত্রে খবর, যে সব ব্লকে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা বেশি রয়েছে, সেই ব্লকগুলি চিহ্নিত করা হচ্ছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২০ ০৫:০১
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যে দশ হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্তদের অনেকেই পরিযায়ী শ্রমিক। সব দিক দেখে গ্রামীণ এলাকায় সংক্রমণ ঠেকাতে ২০০টি ‘সেফ-হোম’ তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। এ জন্য তড়িঘড়ি জেলাগুলির জন্য ১,৩০০টি পালস অক্সিমিটার বরাদ্দ করা হল। কোন জেলাকে কত পালস অক্সিমিটার দেওয়া হবে, তাও ঠিক হয়েছে।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, শীঘ্রই জেলাগুলিতে নির্দিষ্ট সংখ্যক পালস অক্সিমিটার পৌঁছবে। দফতর সূত্রে খবর, যে সব ব্লকে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা বেশি রয়েছে, সেই ব্লকগুলি চিহ্নিত করা হচ্ছে। ওই ব্লকগুলিতেই ‘সেফ-হোম’ তৈরি হবে। সেখানে পরিযায়ী শ্রমিক বা সামান্য উপসর্গ থাকা ব্যক্তিদের রাখা হবে, বিশেষ করে যাঁদের বাড়িতে নিভৃতবাসে থাকার মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই।

দফতরের এক আধিকারিক মানছেন, ‘‘এই সময়ের মধ্যে যাঁরা করোনা সংক্রমিত হয়েছেন, তাঁদের বেশিরভাগই পরিযায়ী শ্রমিক। আবার এ-ও দেখা গিয়েছে যে, সংক্রমিত পরিযায়ীদের অনেকেই উপসর্গহীন।’’

দফতর সূত্রে খবর, প্রতিটি সেফ হোমে একজন করে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। এখানে দিনে দু’বার স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে আবাসিকদের। স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময়ে আবাসিকদের শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা মাপা হবে।

যদি দেখা যায়, কারও শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছে, তখন তাঁকে নিকটবর্তী কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হবে।

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা মাপার যন্ত্রই হল পালস অক্সিমিটার। জেলার এক স্বাস্থ্য আধিকারিক মনে করিয়ে দিচ্ছেন, করোনা সংক্রমণের সময়ে বহুল ব্যবহৃত চিকিৎসা-সরঞ্জাম হল পালস অক্সিমিটার। এতে শরীরে রক্তের অক্সিজেনের সম্পৃক্ততা মাপা হয় ব্যথাহীন ভাবে। অক্সিজেনের পরিমাণ কমলে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। করোনা সংক্রমিত অনেক রোগীরই শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। শ্বাসকষ্ট করোনার অন্যতম উপসর্গ।

দফতর সূত্রে খবর, বরাদ্দ ১,৩০০টি পালস অক্সিমিটারের মধ্যে আলিপুরদুয়ারে পৌঁছবে ৩০টি, বাঁকুড়ায় ৬০টি, বীরভূমে ৪০টি, কোচবিহারে ৪০টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৩০টি, উত্তর দিনাজপুরে ৪০টি, হুগলিতে ৭০টি, হাওড়ায় ৬০টি, জলপাইগুড়ি ৩০টি, ঝাড়গ্রামে ৩০টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৭০টি, পূর্ব মেদিনীপুরে ৬০টি, পুরুলিয়ায় ৭০টি, মালদহে ৬০টি, মুর্শিদাবাদে ৮০টি, নদিয়ায় ৭০টি, পশ্চিম বর্ধমানে ৩০টি, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ৬০টি, উত্তর চব্বিশ পরগনায় ৬০টি।

রাজ্য মনে করছে, ‘সেফ-হোম’ চালু হলে গ্রামীণ এলাকায় সংক্রমণ ঠেকানো যাবে। অন্তত পরিযায়ী-যোগে যে ভাবে সংক্রমণ বাড়ছে সে ভাবে আর বাড়বে না।

Coronavirus Health COVID-19
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy