হানা দিয়েছে আবগারি দফতর। ভয়ের চোটে চোলাইয়ের হাঁড়ি নিয়েই ডিভিসির সেচখালে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বৃদ্ধ। শুক্রবার রাতের ওই ঘটনার পর তল্লাশিও শুরু হয়। কিন্তু বৃদ্ধের হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। শনিবার তাঁর দেহ উদ্ধার হল সেচখাল থেকে। পূর্ব বর্ধমানের ফকিরপুরের ঘটনা। মৃতের নাম গণেশ মল্লিক (৬২)। তাঁর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার বৃদ্ধের দেহের ময়নাতদন্ত হবে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ফকিরপুরে ডিভিসির সেচখালের পাশে চোলাই মদ বিক্রি হয়। শুক্রবার সেখানেই হানা দেয় আবগারি দফতর। সরকারি আধিকারিকদের দেখে সেই সময় চোলাইয়ের হাঁড়ি নিয়ে দামোদরের সেচখালে ঝাঁপ দেন গণেশ। তখন থেকেই তাঁর খোঁজ মিলছিল না। প্রথমে স্থানীয়েরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু হদিস মেলেনি। পরে পুলিশ ও বর্ধমান সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা স্পিডবোট নিয়ে এসে তল্লাশি চালান। কিন্তু ওই রাতে গণেশের খোঁজ মেলেনি।
এর পর শনিবার সকাল থেকে আবার তল্লাশি শুরু হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, দুর্গাপুর থেকে ডুবুরি এনে তল্লাশি চালানো হয়। দিনভর খোঁজাখুঁজির পর বিকেলে গণেশের দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় বাসিন্দা প্রশান্ত বাগদী বলেন, ‘‘আবগারি দফতরের লোকজনকে দেখেই ভয় পেয়ে গিয়েছিল গণেশ। আর কিছু না ভেবে খালে ঝাঁপ দিয়ে দেয়!’’