শংসাপত্র না মেলায় বিক্ষোভ
নিজস্ব সংবাদদাতা • রানিগঞ্জ
পাশ করার পরে দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলও শংসাপত্র মেলেনি, এমনই অভিযোগ তুলে কলেজের গেট বন্ধ করে দিনভর বিক্ষোভ দেখালেন ছাত্রছাত্রীরা। বুধবার রানিগঞ্জের হরশঙ্কর ভট্টাচার্য্য ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি অ্যান্ড মাইনিং কলেজের ঘটনা। বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন ডিপ্লোমা ইন মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং নামে ওই পার্টটাইম কোর্সের প্রাক্তনীরাও। ওই কলেজের ছাত্র সংসদের সম্পাদক পার্থসারথি কুণ্ডু জানান, কলেজে রেগুলার কোর্সের সঙ্গে খনিতে কর্মরতদের জন্য আংশিক সময়ের ডিপ্লোমা কোর্সও পড়ানো হয়। প্রতিবছর ৫০ জনকে পড়ানো হয় ওই কোর্সে। কিন্তু ২০১২ ও ২০১৩ সালে উত্তীর্ণ হওয়া মোট একশো জন ছাত্র এখনও শিক্ষা দফতর থেকে শংসাপত্র পান নি বলে অভিযোগ।
রানিগঞ্জে মাইনিং কলেজে দিনভর অবস্থান-বিক্ষোভ প্রাক্তন পড়ুয়াদের। ছবি: ওমপ্রকাশ সিংহ।
এই একশো জনই ইসিএলে কর্মরত। তাঁদের দাবি, শংসাপত্র না মেলায় কর্মস্থলে যোগ্য মর্যাদা পাচ্ছেন না তাঁরা। কর্তৃপক্ষ আগের পদ অনুযায়ীই কাজ করাচ্ছেন তাঁদের। আর্থিক ক্ষতিরও সম্মুখীন হচ্ছেন তাঁরা। প্রাক্তনীদেরও দাবি, ২০১৩ সালের জুলাই মাস থেকে তিন বার কলেজ অধ্যক্ষকে স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। তবুও প্রতিকার মেলেনি। এ দিন ছাত্র সংসদও প্রাক্তনীদের পাশে দাঁড়াতে আন্দালনে সামিল হয়। তাঁদের দাবি, স্টেট কাউন্সিলের সম্পাদকের লিখিত প্রতিশ্রুতি না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তবে দিনভর তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভের জেরে অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে অধ্যক্ষ ভাস্কর মিত্রও কলেজের বাইরে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি জানান, এ নিয়ে তিনবারই পড়ুয়াদের দেওয়া স্মারকলিপি স্টেট কাউন্সিলের কাছে পাঠিয়েছেন তিনি। স্টেট কাউন্সিলের সম্পাদক শৈবাল মুখোপাধ্যায় বলেন, “বিষয়টি আমাদের নিয়ামক দেখছেন।” নিয়ামক সন্দীপ কুন্ডু বলেন, “আংশিক সময়ের পড়ুয়াদের শংসাপত্র তৈরীর ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াগত কিছু পরিবর্তন হয়েছে। সে কারণেই দেরি হচ্ছে।” তবে দ্রুত সমস্যা মেটার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
জালিয়াতিতে দোষী সাব্যস্ত ১১ জন কর্মী
নিজস্ব সংবাদদাতা • আসানসোল
জালিয়াতির দায়ে ফুড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার (এফসিআই) ১১ জন কর্মীকে দোষী সাব্যস্ত করল আসানসোলের সিবিআই আদালত। আজ, বৃহস্পতিবার তাঁদের সাজা ঘোষণা হবে। ২০০১ সালে এই মামলাটি দায়ের করেছিল সিবিআই। এই আদালতের সরকারি আইনজীবী আশিস মুখোপাধ্যায় জানান, মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের হয়েছিল। শুনানি চলাকালীন এক জনের মৃত্যু হয়। বাকিরা সকলেই ষাটোর্ধ্ব। তাঁদের চাকরি থেকে আগেই বরখাস্ত করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বুধবার ওই ১১ জনকেই দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। এই মামলায় মোট ২৪ জনকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে হাজির করতে পেরেছে সিবিআই। আইনজীবী সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জালিয়াতির ঘটনাটি ঘটেছিল এফসিআইয়ের আসানসোলের গোপালপুর শাখায়। এখানে সংস্থার ১১টি গুদাম ছিল। গুদামে পণ্য আনা-নেওয়া সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন ওই সব কর্মীরা। বিভিন্ন সূত্র মারফত সিবিআই খবর পায়, হিসেবপত্র লিখে রাখার দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মী জালিয়াতি করছেন। তার পরেই সিবিআই অফিসারেরা বেশ কয়েক মাস ধরে অভিযান চালান। সিবিআইয়ের কোর্ট ইনস্পেক্টর সত্যনারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, হিসেবপত্র পরীক্ষা করে প্রচুর গরমিল পাওয়া যায়। নিশ্চিত হওয়ার পরে ২০০১ সালের ৩১ জানুয়ারি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ২০০৩ সালের ২৯ অক্টোবর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়। ১১ বছর মামলা চলেছে।
টিভিতে কাজ দেওয়ার নামে প্রতারণা, ধৃত
নিজস্ব সংবাদদাতা • কালনা
টিভিতে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম দীপক মালো। তার বাড়ি পূর্বস্থলী ১ ব্লকের গোয়ালপাড়া গ্রামে। বুধবার ধৃতকে আদালতে তোলা হলে ১১ অগস্ট পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে কালনা শহরের পুরশ্রী মঞ্চে একটি নাচের অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে নদিয়া, হুগলি, বর্ধমান-সহ নানা জায়গা থেকে বহু নৃত্যশিল্পী এসেছিলেন। ঠিক ছিল, ক্যামেরাবন্দি অনুষ্ঠানটি একটি টিভি চ্যানেলে দেখানো হবে। কিন্তু মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠান চলাকালীনই বিচারক, ক্যামেরাম্যান-সহ বেশ কয়েকজন দাবী করেন, চুক্তি অনুযায়ী তাদের টাকা দিতে চাইছেন না অনুষ্ঠানের মালিক দীপকবাবু। তখন হলের ভিতর কয়েকজন দাবি করেন, তাদের ছেলেমেয়েদের টিভিতে সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছেন দীপকবাবু। কিন্তু সুযোগ করে তো দেননি, টাকাও ফেরত দেননি। এ নিয়ে মঞ্চে গণ্ডগোল শুরু হতেই পুলিশ দীপকবাবুকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। রাতে কালনা ১ ব্লকের হাতিপোতা গ্রামের বাসিন্দা নাসের আলি শেখ থানায় অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকেও প্রতারণা করে টাকা নিয়েছেন দীপকবাবু। এরপরেই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে বুধবার দীপকবাবুর আইনজীবি শুভাশিস হালদার জানান, রাতে থানায় অনেকের টাকা মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রসূতী মৃত্যুতে গাফিলতির অভিযোগ
নিজস্ব সংবাদদাতা • রানিগঞ্জ
এক প্রসূতি ও তাঁর সদ্যোজাতের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিত্সকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে রানিগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখালো মৃতের পরিজনেরা। পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দাবিতে হাসপাতালের সামনে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ ময়না তদন্ত করার পরে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেঅবরোধ ওঠে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত চিকিত্সক তরুনকান্তি রায়ের পাল্টা দাবি, “এই ঘটনায় আমার কোনও গাফিলতি নেই। ওই মহিলার রক্তাল্পতা ছিল। ঠিক সময়ে রক্তের জোগান মেলেনি। ময়না-তদন্তেই বোঝা যাবে কী কারণে শিশু ও তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে।” পুলিশ ও মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় প্রসূতি তারা কোড়া(২০) ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। বুধবার সকালে প্রসবের ঘণ্টাখানেক পরেই ওই সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়। দুপুর ১টা নাগাদ তারাদেবীর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তারাদেবীর মৃত্যুর খবর চাউর হতেই মৃতের পরিবার ও প্রতিবেশীরা হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁরা দাবি করেন, চিকিত্সকের গাফিলতিতেই মৃত্যু হয়েছে সদ্যোজাত ও তাঁর মায়ের। এর পরে বিক্ষোভকারীরা হাসপাতালে ঢুকে আসবাব ওলটপালট করে দেন। শুরু হয় জাতীয় সড়ক অবরোধ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহ দু’টি ময়না তদন্তের জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জালিয়াতিতে দোষী সাব্যস্ত ১১ জন কর্মী
নিজস্ব সংবাদদাতা • আসানসোল
জালিয়াতির দায়ে ফুড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার (এফসিআই) ১১ জন কর্মীকে দোষী সাব্যস্ত করল আসানসোলের সিবিআই আদালত। আজ, বৃহস্পতিবার তাঁদের সাজা ঘোষণা হবে। ২০০১ সালে এই মামলাটি দায়ের করেছিল সিবিআই। এই আদালতের সরকারি আইনজীবী আশিস মুখোপাধ্যায় জানান, মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের হয়েছিল। শুনানি চলাকালীন এক জনের মৃত্যু হয়। বাকিরা সকলেই ষাটোর্ধ্ব। তাঁদের চাকরি থেকে আগেই বরখাস্ত করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বুধবার ওই ১১ জনকেই দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। এই মামলায় মোট ২৪ জনকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে হাজির করতে পেরেছে সিবিআই। আইনজীবী সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জালিয়াতির ঘটনাটি ঘটেছিল এফসিআইয়ের আসানসোলের গোপালপুর শাখায়। এখানে সংস্থার ১১টি গুদাম ছিল। গুদামে পণ্য আনা-নেওয়া সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন ওই সব কর্মীরা। বিভিন্ন সূত্র মারফত সিবিআই খবর পায়, হিসেবপত্র লিখে রাখার দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মী জালিয়াতি করছেন। তার পরেই সিবিআই অফিসারেরা বেশ কয়েক মাস ধরে অভিযান চালান। সিবিআইয়ের কোর্ট ইনস্পেক্টর সত্যনারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, হিসেবপত্র পরীক্ষা করে প্রচুর গরমিল পাওয়া যায়। নিশ্চিত হওয়ার পরে ২০০১ সালের ৩১ জানুয়ারি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ২০০৩ সালের ২৯ অক্টোবর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়। ১১ বছর মামলা চলেছে।
স্কুলে নিম্নমানের খাবার, নালিশ
নিজস্ব সংবাদদাতা • দুর্গাপুর
নিম্নমানের খাবারের অভিযোগে বিক্ষোভ।
স্কুলে নিম্নমানের খাবার দেওয়া হয়। খাবার জায়গাও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নয়। পর্যাপ্ত জলও মেলে না। এই রকম বেশ কিছু দাবিতে ক্লাস বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখাল নবম শ্রেণির পড়ুয়ারা। বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের ফুলঝোড়ের পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু আবাসিক বিদ্যালয়ে। স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবিগুলি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। সকালে স্কুলের প্রথম ক্লাস হওয়ার পরেই পড়ুয়ারা ক্লাস থেকে বেরিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। তাদের দাবি, যে খাবার দেওয়া হয় তার মান ভাল নয়। বারবার স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের আরও অভিযোগ, খাবার জায়গাটি পরিষ্কার নয়। তাদেরই পরিষ্কার করে নিতে হয়। পড়ুয়ারা আরও অভিযোগ করে, খাওয়ার জায়গায় যে কলগুলি ছিল, ছুটির পরে স্কুলে গিয়ে দেখা গিয়েছে সেগুলি নেই। এ ধরনের নানা দাবিতে তারা বিক্ষোভ শুরু করে। কিছুক্ষণ পরেই স্কুলে আসেন পরিচালন সমিতির সম্পাদক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, তিন মাস আগেই ভবনটি চালু হয়েছে। খাওয়ার জায়গা অপরিষ্কার থাকার অভিযোগ ঠিক নয়। জলের ব্যবস্থাও হয়ে গিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “সব দাবি ঠিক নয়। যদি ছোটখাট সমস্যা থেকে থাকে, সেগুলি বিবেচনা করা হবে।”
পুলিশি হেনস্থার নালিশে অবরোধ
নিজস্ব সংবাদদাতা • দুর্গাপুর
এক মোটরবাইক আরোহীকে পুলিশি হেনস্থার অভিযোগে দুর্গাপুরের কাদা মোড়ের কাছে বুধবার বেশ কিছুক্ষণ জাতীয় সড়ক অবরোধ করলেন এলাকাবাসী। পুলিশ গিয়ে হঠিয়ে দিলেও তাঁরা আবার ফিরে এসে অবরোধ করেন। পরে পুলিশের বড় বাহিনী গিয়ে তাড়া করে অবরোধকারীদের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ দিন বিকেলে পুলিশ জি টি রোডের পাশে গাড়ি তল্লাশি করছিল। ওই এলাকারই এক যুবক মোটরবাইকে যাচ্ছিলেন। পুলিশের দাবি, তল্লাশি চলছে দেখে ওই যুবক পালাতে যান। ধাওয়া করে তাঁকে ধরে ফেলা হয়। বাসিন্দাদের অভিযোগ, তল্লাশির নামে পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের হেনস্থা করে। ওই যুবককেও এ দিন তা করা হয়েছে। এর পরেই বাসিন্দারা দু’নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ শুরু করেন। পুলিশ অবশ্য কোনও হেনস্থার কথা মানেনি।
আধিকারিককে মার, বন্ধ কল
নিজস্ব সংবাদদাতা • বর্ধমান
শ্রমিক বিক্ষোভ।—নিজস্ব চিত্র
না ঘুমিয়ে কাজ করতে বলায় কাগজকলের আধিকারিকের উপরে হামলার অভিযোগ উঠেছিল শ্রমিকদের বিরুদ্ধে। পুলিশে জানানো হলেও এ পর্যন্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। নিরাপত্তার অভাবের কারণ দেখিয়ে বুধবার বর্ধমানের ভাতারে ওই কাগজকলে অনির্দিষ্টকাল কর্মবিরতির নোটিস ঝোলালেন কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি বর্ধমানেরই জামুড়িয়ায় শ্যাম গোষ্ঠীর কারখানা ও রানিগঞ্জে ইস্টার্ন কোলফিল্ডসের খনিতে শাসকদলের নেতাদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন কর্তৃপক্ষ। দু’টি ক্ষেত্রেই প্রাথমিক ভাবে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও ওঠে। তবে ভাতারের ঘটনায় অভিযুক্ত শ্রমিকদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে। কাগজকল কর্তৃপক্ষ আধিকারিককে মারধরের ঘটনায় যে জনা পাঁচেকের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ করেছেন, তাঁদের মধ্যে তিন জন এলাকায় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, এই ঘটনায় সিটু-র হাত রয়েছে। বর্ধমানের পুলিশ সুপার সৈয়দ মহম্মদ হোসেন মির্জা বলেন, “ঘটনাটা জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখব।” ভাতার থানার দাবি, তদন্ত চলছে।
সারা বছর তেমন জল না থাকলেও বর্ষায় ভরেছে বেহুলা।
চলছে পাট পচানোর কাজ। কালনার ওমরপুরে তোলা নিজস্ব চিত্র।
কর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে বিজেপির মিছিল।