যৌনকর্মীদের হাতেকলমে ভোটযন্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হল। বুধবার, দুর্গাপুরের কাদারোড এলাকায় নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে ওই প্রশিক্ষণ শিবিরটি হয়েছে। ইভিএমের পাশাপাশি, বিশেষত, ভোটার ভেরিফায়েড পেপার অডিট ট্রেল (ভিভিপ্যাট) ব্যবস্থা নিয়ে যাবতীয় ধারণা পরিষ্কার করতেই এমন শিবির বলে জানিয়েছে মহকুমা প্রশাসন।
এ দিন দুর্গাপুর পুরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের ওই এলাকায় ‘দুর্বার মহিলা সমন্বয় সমিতি’র কার্যালয়ে আয়োজিত ওই শিবিরে ২০-২৫ জনকে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তা নীরিক্ষণ করেন আরও কয়েক জন। ভিভিপ্যাট প্রসঙ্গে তেমনই এক জন বলেন, ‘‘ইভিএম দেখেছি। কিন্তু নিজের ভোট নিজে দেখার যন্ত্র ভিভিপ্যাট সম্পর্কে ধারণা ছিল না। বেশ ভাল লাগল। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আরও বাড়বে।’’
সকালে মহকুমাশাসক (দুর্গাপুর) অনির্বাণ কোলে, ডেপুটি লেবার কমিশনার অরুণিমা বিশ্বাস ও নির্বাচনের কাজে যুক্ত কর্মীরা ইভিএম ও ভিভিপ্যাট মেশিন নিয়ে পৌঁছন এলাকায়। মহকুমাশাসক বলেন, ‘‘দুর্গাপুরের সব বুথে ভোটারদের ইভিএম ও ভিভিপ্যাট যন্ত্রের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সবাই যাতে নিজের ভোট নিজে দিতে পারেন সেটা নিশ্চিত করাই উদ্দেশ্য।’’ দুর্বার মহিলা সমন্বয় সমিতির দুর্গাপুর শাখার সম্পাদক পুনম খাতুন বলেন, ‘‘এখানকার অনেকেই আগে ইভিএমে ভোট দিয়েছেন। তবে ভিভিপ্যাট কী তা নিয়ে আগ্রহ ছিল। প্রশাসন এ দিন শিবির করে সেই বিষয়ে জানিয়েছে।’’
দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯
তবে এসবের মধ্যেও খেদ রয়ে গেল কয়েক জনের। তাঁরা বলেন, ‘‘রান্নায় ব্যস্ত ছিলাম। রান্না শেষ করে আসার আগেই প্রশিক্ষণ শেষ হয়ে গিয়েছে। আমরা ভিভিপ্যাট দেখতে পেলাম না।’’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহিলার দাবি, ‘‘আরও এক দিন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে ভাল হয়।’’ মহকুমা প্রশাসন অবশ্য জানিয়েছে, একই জায়গায় দু’বার শিবির করার মতো সময় হাতে নেই। শহরের সব বুথে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। পুনম জানান, যাঁরা এ দিন হাতেকলমে প্রশিক্ষণ নিলেন, তাঁরা বাকিদের বুঝিয়ে দেবেন বিষয়টি।