Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার

BJP: বিজেপির কর্মসূচি ঘিরে তরজা

নিজস্ব সংবাদদাতা 
দুর্গাপুর ২৩ নভেম্বর ২০২১ ০৭:৪৪
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

বিজেপির ‘দুয়ারে বিধায়ক ও কাউন্সিলর’ কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে দুর্গাপুরে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের নডিহা শিবমন্দিরে শিবির করে ‘দুয়ারে বিধায়ক ও কাউন্সিলর’ কর্মসূচির আয়োজন করেছিল বিজেপি। এই ওয়ার্ডটি দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এলাকার ‘পোস্টাল ইনডেক্স নম্বর’ (পিন) বদলে গিয়েছে। এর জেরে, সরকারি নথি পরিবর্তন করতে হবে এলাকাবাসীকে। সে কাজের সুবিধার জন্য তাঁদের এই উদ্যোগ। তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, ক্ষমতার জোরে বিজেপি এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যাতে এলাকার মানুষ বিপাকে পড়ে তাঁদের কাছে যান।

ডাক বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভাগীয় কাজকর্মের সুবিধার জন্য দুর্গাপুরের ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু এলাকার ‘পিন নম্বর’ বদলে গিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, ওয়ার্ডের ১৯টি বুথের মধ্যে আটটি বুথ এলাকার ‘পিন নম্বর’ বদলে গিয়েছে। এর জেরে, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড-সহ নানা সরকারি কাগজপত্রের ‘পিন নম্বর’ বদলে ফেলতে হবে স্থানীয় বাসিন্দাদের। সে কাজের জন্য কাউন্সিলর ও বিধায়কের সই জরুরি। বদল না হলে, নানা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বাসিন্দাদের বঞ্চিত হতে হবে। কিন্তু বিজেপির আসানসোল জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ুই ও কাউন্সিলর চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়, দু’জনের বাড়িই ওই এলাকা থেকে বেশ দূরে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ফলে, চরম সমস্যায় পড়েছিলেন স্থানীয় নডিহা, আনন্দপুর প্রভৃতি এলাকার বাসিন্দারা। সেই সমস্যার সমাধানে নডিহা শিবমন্দিরে শিবির করে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক লক্ষ্মণ ও কাউন্সিলর চন্দ্রশেখর। স্থানীয়েরা সেখানে এসে বিভিন্ন আবেদনপত্রে তাঁদের সই করিয়ে নিয়ে যান। তাঁদের সহযোগিতা করেন স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। একই সঙ্গে মোবাইল ফোনে আধার লিঙ্কের কাজও তাঁরা করিয়ে দেন। স্থানীয় বাসিন্দা শুভঙ্কর রায়, স্বপ্না দাস’রা বলেন, “বিধায়ক ও কাউন্সিলর সমস্যার কথা ভেবেছেন। আমাদের অনেক সুবিধা হল।”

বিজেপির এই কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। দুর্গাপুরের তৃণমূল নেতা উত্তম মুখোপাধ্যায়ের মন্তব্য, “মানুষ যে বিজেপির পাশে নেই, তা ওই দলের নেতা-কর্মীরা বুঝে গিয়েছেন। তাই ক্ষমতার বলে সাধারণ মানুষকে হয়রানির মধ্যে ফেলে তাঁদের কাছে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। মানুষ সব বুঝতে পারছেন। সুযোগ পেলেই মানুষ ওঁদেরও বুঝিয়ে দেবেন।” বিধায়ক বলেন, “সাধারণ মানুষ যাতে কোনও ভাবে সমস্যায় না পড়েন, তা দেখা আমাদের কাজ। তাই আমরা মানুষের সমস্যার সমাধানের জন্য তাঁদের পাড়ায় গিয়েছি।”



Tags:

আরও পড়ুন

Advertisement