Advertisement
E-Paper

পুরপ্রধানের পথ ধরে তৃণমূলের ১১ কাউন্সিলরের ইস্তফা মেমারি পুরসভায়, পদত্যাগীদের মিষ্টিমুখ করাল বিজেপি

সোমবার সমস্ত পদত্যাগপত্র জমা পড়েছে মেমারি পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক দেবরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। প্রায় সব তৃণমূল কাউন্সিলরই ব্যক্তিগত কারণ দর্শিয়ে পদত্যাগ করেছেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ ১৬:৫৮
Memari Municipality

তৃণমূল কাউন্সিলরদের পদত্যাগের পর মিষ্টিমুখ করাল বিজেপি। —নিজস্ব চিত্র।

তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে তৃণমূল! দিল্লিতে তৃণমূলের কোন কোন সাংসদ বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-তে যোগ দিতে পারেন, তা নিয়ে যখন জল্পনা তুঙ্গে, তখন আরও দুই পুরসভা হাতছা়ড়া হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের। বীরভূমের সাঁইথিয়ার পর পূর্ব বর্ধমানের মেমারি পুরসভাতেও ইস্তফার হিড়িক তৃণমূল কাউন্সিলরদের।

তৃণমূল পরিচালিত মেমারি পুরসভায় সদস্যসংখ্যা ১৬। পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্বপন বিষয়ী-সহ ১১ জন কাউন্সিলরই সোমবার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। পদত্যাগীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাশ্মীরা খাতুন শেখ, ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বিলকিস খাতুন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চুমকি বাগ, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মনসুরা বেগম শেখ, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চিরঞ্জীব ঘোষ, ২ নম্বর ওয়ার্ডের শেখ ইউসুফ, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের রঞ্জিত বাগ এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাপী বন্দ্যোপাধ্যায়। গত শুক্রবার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কৃষ্ণপদ বিশ্বাসও পদত্যাগ করেছেন।

সোমবার সমস্ত পদত্যাগপত্র জমা পড়েছে মেমারি পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক দেবরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। প্রায় সব তৃণমূল কাউন্সিলরই ব্যক্তিগত কারণ দর্শিয়ে পদত্যাগ করেছেন। তবে মনসুরার কথায়, ‘‘পদে থেকেও মানুষের কাজ করতে পারছিলাম না। সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দিতে ব্যর্থ হচ্ছিলাম। তাই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মানুষের সমস্যা সমাধান করতে না পারার কষ্ট থেকেই এই সিদ্ধান্ত।’’ ওই পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক দেবরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, কাউন্সিলরদের পদত্যাগপত্রগুলি মহকুমা শাসকের (এসডিও সাউথ) কাছে পাঠানো হবে। সেগুলি গৃহীত হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত সরকারি স্তরেই নেওয়া হবে।

তৃণমূল কাউন্সিলরদের গণপদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়তেই মেমারি পুরসভা চত্বরে মিষ্টিমুখের আয়োজন করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। মেমারির বিজেপি বিধায়ক মানব গুহের অভিযোগ, ‘‘এই বোর্ড থাকাও যা, না-থাকাও তাই। দুর্নীতির বোঝা বইতে পারছিলেন না কাউন্সিলরেরা। জল, রাস্তা-সহ কোনও পরিষেবাই সাধারণ মানুষকে দিতে পারেনি পুরসভা। মানুষ চরম ক্ষুব্ধ। তাই এটা হওয়ারই ছিল।’’

পাশাপাশি বিধায়ক দাবি করেন, পুরসভার কাজকর্মে এর কোনও প্রভাব পড়বে না। প্রশাসক নিয়োগ করা হবে এবং ভবিষ্যতে নির্বাচন হলে বিজেপি ক্ষমতায় এসে উন্নয়নের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

Memari tmc councillor Municipality BJP TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy