×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৬ জানুয়ারি ২০২১ ই-পেপার

‘অভিষেক রাক্ষস, মহিষাসুর’, ফের নাম করে নিশানা বিজেপি সাংসদ সৌমিত্রের

নিজস্ব সংবাদদাতা
জলপাইগুড়ি০২ ডিসেম্বর ২০২০ ১৮:২৩
সৌমিত্র খাঁ এবং অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়— ফাইল চিত্র।

সৌমিত্র খাঁ এবং অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়— ফাইল চিত্র।

ফের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তুলে নিশানা করলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। বুধবার জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে এসে ‘তোলাবাজ’ বলে কটাক্ষ করলেন অভিষেককে।

সৌমিত্র বলেন, ‘‘অশুভ শক্তির নাম নিতে নেই। মা দুর্গার নাম নিতে হয়। মা লক্ষ্মীর নাম নিতে হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এখন এক অশুভ শক্তি।’’ সেই সঙ্গে জনতার উদ্দেশে তাঁর মন্তব্য, ‘‘মহিষাসুরের নাম কেউ নেন? ‘জয় মহিষাসুর’ কেউ বলেন? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটা মহিষাসুর। একটা রাক্ষস। রাজ্যে যত প্রকল্প আছে সেই প্রকল্পের টাকা চুরি করে কালীঘাটে পৌঁছে যাচ্ছে।’’

রবিবার অভিষেক তাঁর লোকসভা কেন্দ্র, দক্ষিণ ২৪ পরগণার ডায়মন্ড হারবারের সভায় বিজেপি নেতৃত্বের ‘ভাইপো-কটাক্ষের’ জবাবে বলেছিলেন, ‘‘সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নেওয়ার বুকের পাটা নেই প্রধানমন্ত্রীর। বিজেপির ছোট-বড়-মেজো নেতাদেরও নেই। যাঁরা নিয়েছিলেন, আদালতে তাঁদের জবাব দিয়েছি।’’ এরপর সোমবার বিজেপি-র যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র কোচবিহারে ‘চায়ে পে চর্চা’ কর্মসূচিতে অভিষেকের নাম করে তাঁকে ‘চোর-ডাকাত-কয়লা মাফিয়া’ বলেছিলেন।

Advertisement

বুধবার ধূপগুড়ির সভায় সৌমিত্র বলেন, ‘‘অভিষেক তোলাবাজ। কয়লা মাফিয়াদের সঙ্গে তার যোগ রয়েছে। বিভিন্ন চাকরি দূর্নীতিতেও অভিষেক যুক্ত।’’ তাঁর দাবি, চাকরির নাম করে বেকার যুবকদের থেকে টাকা তোলেন তৃণমূলের যুব সভাপতি। রাজ্যে বালি পাচার, মাটি পাচার সব কিছুতেই টাকার ভাগ নেন।

ধূপগুড়ি শহরে বুধবার দুপুরে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার পক্ষ থেকে মিছিল বের করা হয়। মিছিলে সৌমিত্র ছাড়াও জেলা বিজেপি-র সভাপতি বাপি গোস্বামী, জেলা যুব মোর্চার সভাপতি পলেন সরকার-সহ দলের নেতা-কর্মীরা ছিলেন। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজ্যে ক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গ বঞ্চিত। তাই বিজেপি যুব মোর্চার পক্ষ থেকে ৭ ডিসেম্বর ‘উত্তরকন্যা চলো’ অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। সেই কর্মসূচির প্রচারেই এই মিছিল। মিছিলের পর হয় সভা।

সভা শেষে স্থানীয় ভ্যানচালক বীরেন রায়ের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ করেন সৌমিত্র। পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বীরেনের বাড়ির মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে ছিল ভাত, ডাল, ট্যাংরা মাছের ঝাল, ফুলকপি, কাতলা মাছ, চাটনি, দই এবং মিষ্টি।

আরও পড়ুন: তিন দশক পর ভারত থেকে চাল আমদানি করছে চিন

বিজেপি-র মিছিল এবং সভার কারণে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিপুল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল শহরে। তবে এর আগে ধূপগুড়িতে বিজেপির মিছিল আটকানো হলেও এ বার তা হয়নি।

আরও পড়ুন: পিকে-র বিরুদ্ধে ক্ষোভ, শীলভদ্র দত্তের দেখা পেলেন না জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

Advertisement