Advertisement
E-Paper

হাথরস, উন্নাও কাণ্ডের তদন্তে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন, আরজি কর মামলায় প্রশ্নের মুখে সিবিআইয়ের সেই তদন্তকারী অফিসার

সিবিআই আধিকারিক সীমা পাহুজা এক সময়ে গাজ়িয়াবাদে কর্মরত ছিলেন সিবিআইয়ের অ্যান্টি কোরাপশন ব্যুরোয়। হাথরস তো বটেই, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তকারী অফিসার হিসাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অন্দরে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ ২১:২৩
CBI investigating officer Seema Pahuaja faces questions in RG Kar case

আরজি কর মামলার সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুয়াজা। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

উন্নাওয়ে ধর্ষণের ঘটনা হোক বা হাথরসের গণধর্ষণ মামলা— সিবিআই তদন্তে বার বার তাঁর ডাক পড়ে। তাঁর নেতৃত্বে তদন্তে প্রশংসা কুড়িয়েছিল সিবিআই। সেই তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুয়াজাকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে মহিলা চিকিৎসকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার তদন্ত দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু এই মামলার তদন্তে প্রশ্ন উঠল রাষ্ট্রপতি মেডেল পাওয়া সেই সীমার ভূমিকা নিয়ে!

২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি করের চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল দেশ জুড়ে। প্রথমে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছিল কলকাতা পুলিশ। তদন্তে নেমেই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করে তারা। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই মামলার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। তবে এখনও পর্যন্ত ধর্ষণ-খুনের মামলায় সিবিআই নতুন করে কাউকে গ্রেফতার করেনি। সিবিআইয়ের তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন খোদ আরজি করের নির্যাতিতার মা-বাবাই। শুধু তা-ই নয়, শিয়ালদহ আদালত চত্বরে নির্যাতিতার বাবার ‘রোষের’ মুখে পড়েছিলেন তদন্তকারী অফিসার সীমা।

এখন রাজ্য-রাজনীতির ছবি বদলেছে। সরকারে বদল হয়েছে। বিজেপি এখন পশ্চিমবঙ্গের সরকারে। পানিহাটি থেকে বিজেপির টিকিটে লড়ে আরজি করের নির্যাতিতার মা এখন বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়েই শুভেন্দু অধিকারী আরজি করের ফাইল খোলার কথা ঘোষণা করেন। কলকাতা পুলিশের তিন প্রাক্তন উচ্চপদস্থ আধিকারিককে সাসপেন্ড (নিলম্বিত)-ও করা হয়েছে। তবে শনিবার আবার সেই সীমার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিজেপি সাংসদ তথা কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, আরজি কর মামলায় প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে সীমাকে অভিযুক্ত হিসাবে তদন্তের আওতায় আনা উচিত!

আরজি কর মামলায় তাঁর তদন্ত নিয়ে ক্ষোভের জন্ম নিলেও অতীতে হাথরস, উন্নাও বা কোঠারি ধর্ষণ মামলাতেও সাফল্য পেয়েছেন সীমা। শুধু তা-ই নয়, ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলার তদন্তকারী দলের সদস্যও ছিলেন তিনি। ১৯৮৮ সালে সিবিআইতে যোগ দেন সীমা। ২০১৩ সিবিআইয়ের ডেপুটি সুপারিন্টেনডেন্ট হন তিনি। ২০২২ সালে অ‍্যাডিশনাল সুপারিন্টেনডেন্ট অফ পুলিশ (এএসপি) হন। সিবিআই আধিকারিক সীমা এক সময়ে গাজ়িয়াবাদে কর্মরত ছিলেন তদন্তকারী সংস্থার অ্যান্টি কোরাপশন ব্যুরোয়। সিবিআই আধিকারিক হিসাবে তাঁর কাজের জন্য ২০১৪ সালের ১৫ অগস্ট পুলিশ মেডেল পান সীমা। সাহসী এবং নির্ভীক অফিসার হিসাবে পরিচিতি রয়েছে সীমার। বর্তমানে দিল্লি স্পেশ্যাল ক্রাইম বিভাগে যুক্ত রয়েছেন। ২০২১ সালে রাষ্ট্রপতি মেডেল পান সীমা।

Seema Pahuja CBI
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy