রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের অধীনে প্রকল্প কর্মী হিসেবে কাজ করেন ‘জীবিকা সেবক’রা। কেন্দ্রীয় সরকারের বিআরজিএফ প্রকল্প থেকে এঁদের মাসিক চার হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হত। কিন্তু কেন্দ্র ওই প্রকল্পের টাকা বন্ধ করে দিয়ে তা রাজ্য সরকারকে চালাতে বলার পর থেকে জীবিকা সেবকদের ভাতা বন্ধ। যদিও ১২টি জেলায় ৯১৮ জন জীবিকা সেবকের কাজের রোস্টার তৈরি করে দিচ্ছেন বিডিও-রা কিন্তু কাজ করেও তাঁরা ভাতা পাচ্ছেন না। এমনকি, সুরক্ষার বিশেষ কোনও বন্দোবস্ত ছাড়াই করোনার কোয়রান্টিন সেন্টারে তাঁদের সুপারভাইজারের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে ভাতা দেওয়ার দাবি তুলেছেন জীবিকা সেবকেরা, জানিয়েছেন সিটু নেতা ইন্দ্রজিৎ ঘোষ।