প্রায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে পৌঁছে গেল কলকাতার পারদ! পারদ চড়ল দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী সাত দিন উত্তর কিংবা দক্ষিণবঙ্গ— কোথাও পারদ খুব বেশি ওঠানামার সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ, আর জাঁকিয়ে শীত ফেরার সম্ভাবনা নেই রাজ্যে। তবে কুয়াশার দাপট চলবে। ঘন কুয়াশায় সকালের দিকে দৃশ্যমানতা কম থাকবে উত্তরবঙ্গে। হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলাতেও।
গত কয়েক দিন ধরে শেষ রাতে কিংবা ভোরের দিকে হালকা শীত শীত ভাব অনুভূত হলেও বেলা গড়াতে না গড়াতেই গরম বাড়ছে। শুক্রবার ভোরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হয়েছে ১৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ৩.২ ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৯ ডিগ্রি, স্বাভাবিকের থেকে ০.৬ ডিগ্রি বেশি। এ ছাড়া, শুক্রবার ভোরে দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলাতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫-১৬ ডিগ্রির ঘরে। কল্যাণীতে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আসানসোলে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়ায় ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কাঁথিতে ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিংয়ে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বর্ধমানে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বেশির ভাগ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২-১৩ ডিগ্রির ঘরে। শুধুমাত্র দার্জিলিঙে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হয়েছে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আলিপুর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে পশ্চিমবঙ্গের কোথাও তাপমাত্রায় বড়সড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
আরও পড়ুন:
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম ভারতে শুক্রবার নতুন করে একটি পশ্চিমি ঝঞ্ঝা আসতে চলেছে। আপাতত পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে পারদপতনের সম্ভাবনা নেই। তবে সকালের দিকে ঘন কুয়াশায় ঢাকতে পারে বেশ কিছু জেলা। শুক্রবার ঘন কুয়াশার হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা ১৯৯ থেকে ৫০ মিটারে নেমে যেতে পারে। বাকি জেলাগুলিতেও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত চলবে কুয়াশার দাপট। দক্ষিণবঙ্গেও পাঁচ জেলায় সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া এবং বীরভূমে।