Advertisement
E-Paper

রিষড়ায় বন্ধ হল জয়শ্রী ইনস্যুলেটর

ভোট মিটতেই রিষড়ায় বিড়লা গোষ্ঠীর ইনস্যুলেটর কারখানায় ‘সাসপেনশন অব ওয়ার্ক’ নোটিস ঝোলালেন কর্তৃপক্ষ। এর ফলে প্রায় বারোশো শ্রমিক আপাতত কর্মহীন হয়ে পড়লেন। শ্রমিকদের পাওনাগন্ডা সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হুগলির ওই কারখানায় গত কয়েক মাস ধরেই আন্দোলন চলছিল। নিজেদের দাবিতে অনড় থেকে দিন কয়েক আগে কাজ বন্ধ করে দেন শ্রমিকেরা। শ্রমিক অসন্তোষের কারণ দেখিয়েই মঙ্গলবার বেশি রাতে কারখানার গেটে নোটিস ঝুলিয়ে দেন কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকালে শ্রমিকরা ওই নোটিস দেখতে পান।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০১৪ ০২:১৫

ভোট মিটতেই রিষড়ায় বিড়লা গোষ্ঠীর ইনস্যুলেটর কারখানায় ‘সাসপেনশন অব ওয়ার্ক’ নোটিস ঝোলালেন কর্তৃপক্ষ। এর ফলে প্রায় বারোশো শ্রমিক আপাতত কর্মহীন হয়ে পড়লেন।

শ্রমিকদের পাওনাগন্ডা সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হুগলির ওই কারখানায় গত কয়েক মাস ধরেই আন্দোলন চলছিল। নিজেদের দাবিতে অনড় থেকে দিন কয়েক আগে কাজ বন্ধ করে দেন শ্রমিকেরা। শ্রমিক অসন্তোষের কারণ দেখিয়েই মঙ্গলবার বেশি রাতে কারখানার গেটে নোটিস ঝুলিয়ে দেন কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকালে শ্রমিকরা ওই নোটিস দেখতে পান।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়শ্রী ইনস্যুলেটর নামে ওই কারখানায় স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় বারোশো শ্রমিক কাজ করেন। বেতন বৃদ্ধি-সহ বিভিন্ন দাবিতে মালিকপক্ষের সঙ্গে বিরোধ চলছিল শ্রমিকদের। সম্প্রতি তা মাত্রা ছাড়ায়। গত মাসে কর্তৃপক্ষের লোকজনকে ঘেরাও করে রাখেন ক্ষিপ্ত শ্রমিকেরা। পুলিশের হস্তক্ষেপে মাঝরাতে তাঁরা ছাড়া পান। ওই কারখানায় পাঁচ বছর অন্তর পাওনাগন্ডা নিয়ে শ্রমিক এবং মালিকপক্ষের মধ্যে চুক্তি হয়। শ্রমিকেরা দাবি করে আসছেন, সেই সময়সীমা কমিয়ে তিন বছর করতে হবে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা মানতে নারাজ। বিষয়টি শ্রম দফতর পর্যন্ত গড়ায়। ত্রিপাক্ষিক বৈঠকও হয়। কিন্তু জট খোলেনি। ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা গত ৮ মে থেকে কাজ বন্ধ করে দেন। তাতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন শ্রম দফতরে ফের বৈঠক হওয়া কথা ছিল। কিন্তু মালিকপক্ষ উপস্থিত হয়নি। তার ফলে বৈঠক হলেও কোনও মীমাংসাসূত্র বেরোয়নি। কারখানার আইএনটিটিইউসি অনুমোদিত সংগঠনের সভাপতি অন্বয় চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, “মালিকপক্ষের অনমনীয় মনোভাবের কারণেই মিলে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। শ্রম দফতরের বৈঠকে না এসে ওরা সরকারকে পর্যন্ত অবজ্ঞা করছে।” এআইটিইউ অনুমোদিত সংগঠনের সহ-সভাপতি কৃষ্ণপ্রসাদ সাউও এই পরিস্থিতির জন্য মালিকপক্ষকেই দুষছেন।

শ্রীরামপুরের মহকুমাশাসক মৃণালকান্তি হালদার বলেন, “ওখানে একটা সমস্যা চলছিল। তবে ঠিক কী কারণে কারখানাটি বন্ধ হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট আমার জানা নেই। বৃহস্পতিবার খোঁজ নিয়ে বলতে পারব।” শ্রীরামপুরের সহকারী শ্রম কমিশনার অমল মজুমদার বলেন, “শ্রম দফতর সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা হবে।” যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কারখানার ছ’টি শ্রমিক সংগঠন এবং মালিকপক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি যতটা সম্ভব নিষ্পত্তি করার চেষ্টা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।

srirampur joyshree insulator
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy