শীতের দিনে কাঠকয়লার উনুনের গন্ধ বা ধোঁয়াটে আমেজ খাবারে অন্য মাত্রা যোগ করে। তাই তো ঠান্ডার সময়ে তন্দুরি কবাবের এত কদর। কিন্তু খাবারে এই স্বাদ ফুটিয়ে তোলার জন্য তন্দুরের প্রয়োজন। এ দিকে সমস্ত বাড়িতে তন্দুরের বন্দোবস্ত করা অত সহজ নয়। সে ক্ষেত্রে ঘরোয়া কিছু সহজ কৌশলে খাবারে কয়লার উনুনের গন্ধ আনা যায়। তন্দুরের মতো নিখুঁত স্বাদ না এলেও তৃপ্তি করে খাওয়া যাবে এই পন্থাগুলি প্রয়োগ করলে।
১. কয়লা
এই পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর। রান্না সম্পূর্ণ হয়ে গেলে একটি ছোট লোহার পাত্রে গরম করা কাঠকয়লার টুকরো রাখুন। তার উপর এক চামচ ঘি বা তেল ঢালুন। সঙ্গে সঙ্গে ধোঁয়া উঠবে। রান্না করা খাবারের পাত্রটি হাঁড়ির মধ্যে রেখে ঢাকনা চাপা দিয়ে দিন। ২-৩ মিনিট পর ঢাকনা খুললেই দেখবেন খাবারে ধোঁয়াটে আমেজ চলে এসেছে।
সহজ কৌশলে খাবারে কয়লার উনুনের গন্ধ আনা যায়। ছবি: সংগৃহীত।
২. কালো এলাচ
ভারতীয় খাবারের জন্য কালো এলাচের এই টোটকা উপযুক্ত। কয়েকটি কালো এলাচ নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে নিন। তার পর সেটিকে পিষে গুঁড়ো করে খাবারের উপর ছড়িয়ে দিন। যে কোনও খাবারে হালকা ‘স্মোকি’ স্বাদ চলে আসবে।
৩. স্মোকড্ সল্ট
স্মোকড্ সল্ট এখন বাজারে লভ্য। কিছু নুনে আগে থেকেই কাঠকয়লার উনুনের গন্ধ যোগ করা থাকে। এই ধরনের নুন রান্নার শেষে ছিটিয়ে দিলে খাবারে আলাদা মাত্রা যোগ হয়। অল্পেই খাবারে ধোঁয়াটে গন্ধ আসবে।
৪. শুকনো লঙ্কা
দু’একটি শুকনো লাল লঙ্কা সরাসরি আঁচে ধরে হালকা পুড়িয়ে নিন। হালকা গন্ধ বেরোলেই আঁচ নিভিয়ে দিন। তার পর লঙ্কাগুলি গুঁড়ো করে রান্নার শেষে তরকারি বা ডালে মিশিয়ে দিন। এতে খাবারে খুব স্বাভাবিক ‘স্মোকি’ আমেজ আসবে।
৫. অলিভ অয়েল
বাজারে এখন স্মোকড্ অলিভ অয়েল সহজলভ্য। রান্না শেষ হওয়ার পর খাবারের উপর এই তেল এক চামচ ছড়িয়ে দিলে তন্দুরের মতো গন্ধ পাওয়া যায়। শীতের দিনে ভাজা বা সেদ্ধ খাবারে এই কৌশল বেশ ভাল কাজ করে।