শুধু ভিটামিন কিংবা খনিজ নয়, ফাইবারের উপস্থিতির জন্যও পুষ্টিকর খাবারের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে ফল। সমস্ত ফলের ভিটামিন-খনিজের মাত্রা অবশ্য এক রকম নয়। যদি লক্ষ্য হয় ফাইবার জাতীয় খাবারের মাত্রা বৃদ্ধি করা, তাহলে বেছে নেবেন কোন ফল? চেনা ফলের মধ্যে কোনটিতে ফাইবার সবচেয়ে বেশি?
পেয়ারা: খুব বেশি রসালো নয়। তবে পেয়ারা জনপ্রিয় ভারতের নানা প্রান্তেই। ভিটামিন খনিজে ভরপুর পেয়ারায় ফাইবারের মাত্রা যথেষ্ট। মোটামুটি মাঝারি আকারের একটি পেয়ারায় ৮-৯ গ্রামের মতো ফাইবার মেলে। রক্তে শর্করা বশে রাখতে হলে, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে তাই নির্দ্বিধায় বেছে নেওয়া চলে এই ফলটি।
নাসপাতি: তালিকায় রাখতে পারেন নাসপাতি। মাঝারি আকারের একটি ফলে ৬-৮ গ্রাম পর্যন্ত ফাইবার থাকতে পারে। রসালো ফলটিতে ভিটামিন সি, কে এবং কপারের মতো খনিজও মেলে যথেষ্ট।
আপেল: নাসপাতির পর তালিকায় রাখা চলে আপেল। মোটামুটি মাঝারি আকারের আপেলে ফাইবারের মাত্রা ৪.৪-৫ গ্রামের মতো। ডায়াবেটিক থেকে শিশু— সকলের জন্যই ফলটি ভাল।
কলা: পেট পরিষ্কারে কলা খান অনেকে। মিষ্টি কলা খেতেও খুব স্বাদু। ফাইবারের মাত্রার বিচারে একে ৫ নম্বরে রাখা যেতে পারে। একটি মাঝারি আকারের কলায় ৩.১ গ্রামের কাছাকাছি ফাইবার মেলে।
কমলালেবু: ফাইবার মিলবে কমলালেবু খেলেও। মাঝারি মাপের ফলে মোটামুটি ৩ গ্রাম পর্যন্ত ফাইবার মিলতে পারে।ভিটামিন সি-তে ভরপুর এই ফলটি।
উপরোক্ত ফলগুলি ভীষণ চেনা। তবে হাতের কাছে র্যাপ্সবেরি পেলে সেটিও রাখা চলে। এক কাপ র্যাপ্সবেরি ফলে প্রায় ৮ গ্রাম ফাইবার মেলে। এ ছাড়াও তালিকায় রাখা যায় আনারস এবং তরমুজের মতো ফলও। তবে এই ফলগুলিতে ফাইবারের মাত্রা তুলনামূলক কম।