×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৬ এপ্রিল ২০২১ ই-পেপার

করোনা ঝুঁকির মধ্যে ভোট কী ভাবে, প্রশ্ন বিজেপির, নজর তৃণমূলের অবস্থানে

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১৫ মার্চ ২০২০ ০০:২২
রাজ্য নির্বাচন কমিশন।—ফাইল চিত্র।

রাজ্য নির্বাচন কমিশন।—ফাইল চিত্র।

সামনেই পুরভোট। করোনার সংক্রমণ এড়াতে যেখানে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, নিষেধাজ্ঞা আনা হয়েছে বড় জামায়েতে। এমন পরিস্থিতিতে পুরভোট কী ভাবে সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। পুরভোট পিছিয়ে দেওয়া উচিত কি না তা নিয়েও বিস্তর চর্চা চলছে রাজনৈতিক মহলে। আগামী সোমবার সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেখানে করোনা প্রসঙ্গ তুলে পারে বিজেপি। মুরলীধর লেন সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে।

করোনার এই আবহে ভোট কী ভাবে সম্ভব হবে তা নিয়ে রাজ্য বিজেপির একাংশ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। যে দিন ভোট হবে ভোটররা এক জায়গায় জমায়েত হবেন। শুধু তাই নয়, ভোটকর্মীদের এক জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। বিভিন্ন মিটিং, মিছিলে জমায়েত বাড়বে। যদি পুরভোট ঘোষণা হয়, তা হলে জমায়েত সংক্রান্ত যে বিধিনিষেধ রয়েছে তা নস্যাত্ করেই এগোতে হবে। আর সে ক্ষেত্রে অনেকটাই ঝুঁকি থেকে যাবে বলে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতারা।

সোমবার সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে নির্বাচন কমিশন। সেখানে করোনার প্রসঙ্গ উঠে পারে বলে মনে করছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বিজেপির তরফ থেকে সেই দাবি তোলা হতে পারে মুরলীধর লেন সূত্র জানা যাচ্ছে। তবে বিজেপির আরেকটি সূত্র দাবি করেছে, তাদের তরফ থেকে এই প্রসঙ্গ তোলা হবে না। তৃণমূল ভোট পিছনোর কথা তুলতে পারে। নির্বাচন কমিশনের কাছে শাসক দল যদি না জানায়, রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এ প্রসঙ্গে জানানো হতে পারে বলে বিজেপির ওই অংশ দাবি করছে। বিজেপি নেতাদের কারও কারও কথায়, “ভোট পিছিয়ে যাওয়ার দায় আগ বাড়িয়ে নিতে যাব না। রাজ্য সরকার বা শাসক দল আগে কী করে দেখি, তার পরে আমরা পদক্ষেপের কথা ভাবব।”

Advertisement

আরও পড়ুন: শোভনের উদ্দেশে ইঙ্গিত, রত্নাকে দায়িত্ব থেকে সরাল তৃণমূল

করোনা নিয়ে গোটা দেশ উদ্বিগ্ন। সংক্রমণ এড়াতে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র। স্কুল, কলেজ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যগুলো। গোটা দেশের মতো করোনা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু), রাষ্ট্রপুঞ্জ এবং কেন্দ্রীয় সরকার যে পরামর্শ দিয়েছে, তার ভিত্তিতেই রাজ্য সরকার স্কুল-মাদ্রাসা-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে শনিবার একটি নির্দেশিকা জারি করে এমনটাই জানানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সোমবারের সর্বদলীয় বৈঠকে পুরভোট পিছিয়ে দেওয়া হয় কি না এখন সে দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন: করোনা-আতঙ্ক: ট্রেন-বাস-মেট্রোতে যাতায়াত কতটা নিরাপদ?

Advertisement