Advertisement
E-Paper

রবিবার নির্দেশ পাঠিয়েছিল নবান্নকে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের সাত আধিকারিককে খোদ সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন

সাত জনই রাজ্যে এসআইআরের কাজে এইআরও হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন। তবে এসআইআরের কাজে তাঁদের বিরুদ্ধে অসদাচরণ, কর্তব্যে গাফিলতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তোলে কমিশন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:১৪
Election Commission suspends seven West Bengal officials directly from their posts

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

রবিবার রাজ্যের সাত আধিকারিককে সাসপেন্ড (নিলম্বিত) করার কথা জানিয়ে নবান্নকে চিঠি পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই চিঠিতে বলা হয়েছিল, অবিলম্বে কমিশনের নির্দেশ পালন করতে হবে। তবে তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না-কাটতে এ বার সরাসরি সেই সাত আধিকারিককে সাসপেন্ড করে দিল কমিশন।

ওই সাত জনই রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজে এইআরও হিসাবে কাজ করছিলেন। তবে এসআইআরের কাজে তাঁদের বিরুদ্ধে অসদাচরণ, কর্তব্যে গাফিলতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তোলে কমিশন। সেই বিষয় উল্লেখ করে ওই সাত আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়ে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে চিঠি পাঠায় কমিশন।

জানা যায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্বের দুই এইআরও সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুন্ডু, জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির এইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরী, মুর্শিদাবাদের সমশেরগঞ্জের এইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এইআরও নীতীশ‌ দাস, সুতির এইআরও শেখ মুর্শিদ আলম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার এইআরও দেবাশিস বিশ্বাসকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। শুধু সাসপেন্ড নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পদক্ষেপ করার কথা জানানো হয়েছিল।

কমিশনের নির্দেশ পাওয়ার পর রাজ্য কী পদক্ষেপ করেছে, তা-ও নবান্নকে জানাতে বলা হয়েছিল। যদিও সেই নির্দেশ কার্যকর হওয়ার আগেই কমিশন নিজেই পদক্ষেপ করল। তারা সরাসরি সাসপেন্ড করল ওই আধিকারিকদের। পাশাপাশি, এইআরও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁদের।

এর আগে রাজ্যের চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করতে বলেছিল কমিশন। এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর আগেই দুই জেলার ওই চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়ে কমিশন রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে চিঠি দিয়েছিল। অভিযোগ, ওই আধিকারিকেরা ‘ভুয়ো’ বা ‘ভূতুড়ে’ ভোটারদের নাম তালিকায় বেআইনি ভাবে তুলেছেন। এ বিষয়ে প্রথমে গত বছর ৫ অগস্ট রাজ্যকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল কমিশন। পরে ৮ অগস্ট ফের একটি চিঠি পাঠানো হয়। নির্দেশ কার্যকর করা না-হওয়ায় গত ২ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট দুই জেলাশাসককে এফআইআর করার নির্দেশ দেয় কমিশন। সেই নির্দেশ কার্যকর হয়নি। ইতিমধ্যে সিইও দফতর থেকে জেলাশাসকদের দু’বার ‘রিমাইন্ডার’ দেওয়া হয়। কিন্তু নির্দেশ কার্যকর না-হওয়ায় শুক্রবার দিল্লিতে নির্বাচন সদনে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের বর্তমান মুখ্যসচিবকে। শনিবার জানা যায়, ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার জন্য মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যকে সময় দিয়েছে কমিশন। তার মধ্যেই কমিশন অন্য সাত আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল।

SIR suspend Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy