জাতীয় ভাবমূর্তি নির্মাণে ভাষ্যের গুরুত্ব এবং সেখানে ‘ধর্মনিষ্ঠ সাংবাদিকতা’র ভূমিকার কথা বললেন রাজ্যপাল আর এন রবি। পুরাণের নানা আখ্যানে বার্তাবাহকের ভূমিকায় যাঁকে দেখা গিয়েছে, সেই দেবর্ষি নারদকে স্মরণ করে তাঁর জয়ন্তীতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস) ঘনিষ্ঠ একটি সংগঠন রবিবার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সেখানেই বিষয়টি নিয়ে বিশদে মন্তব্য করেছেন রবি।
কলকাতার শিশির মঞ্চে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তী, সঙ্ঘের পূর্বক্ষেত্র প্রচার প্রমুখ জিষ্ণু বসু, আরএসএসের ইংরেজি মুখপত্রের সম্পাদক প্রফুল্ল কেতকার, সংগঠনের দক্ষিণবঙ্গ প্রান্ত প্রচার প্রমুখ বিপ্লব রায় প্রমুখ। সেখানেই রাজ্যপাল বলেছেন, “জাতীয় ভাবমূর্তি নির্মাণে ভাষ্যের ভূমিকা অনেক। ভারতের পুনর্জাগরণ ও বিশ্বকল্যাণের প্রতি দেশের যে অঙ্গীকার, তার বাস্তবায়নে ধর্মনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এই সূত্রেই সংবাদপত্রের ইতিহাসে কলকাতা এবং স্বাধীনতা আন্দোলনে সাংবাদিকদের ভূমিকার কথা বলেছেন জিষ্ণু। প্রফুল্ল বিশেষ ভাবে তুলে ধরেছেন কলকাতা থেকে প্রকাশিত ভারতের প্রথম হিন্দি সংবাদপত্র ‘উদন্ত মার্তণ্ডে’র কথা। রাষ্ট্র ও সরকারকে প্রশ্ন করার অধিকার সংবাদমাধ্যমের রয়েছে, সে কথা বলেও প্রফুল্লের সংযোজন, “নারদের শিক্ষা, সব সময় সত্যি বলতে নেই। সত্যি কথা বলতে হয় দায়িত্বশীল ভাবে ও ঠিক সময়ে। রাষ্ট্রকে, সরকারকে প্রশ্ন করার অধিকার সংবাদমাধ্যমের আছে। কিন্তু ভারত যখন বিদেশি শত্রুর সঙ্গে লড়ছে (‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময়), তখন সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)