E-Paper

এপ্রিলেই কি মিলবে তাপপ্রবাহের দাপট

আশঙ্কার কথা শুনিয়েছে আবহাওয়া দফতর। গ্রীষ্মের পূর্বাভাসে তারা জানিয়েছে, মার্চ থেকে মে মাস—এই পর্বে পূর্ব এবং পূর্ব-মধ্য ভারতের বেশির ভাগ অঞ্চলেই মরসুমি গড়ের থেকে বেশি দিন তাপপ্রবাহ মিলতে পারে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬ ০৮:৩০

—প্রতীকী চিত্র।

ক্যালেন্ডারে মাঝ ফাল্গুন পেরিয়ে গিয়েছে। ক্রমশ এগিয়ে আসছে চৈত্র। কিন্তু রাজ্যের বাতাসে শুষ্কতা যেন পিছু ছাড়ছে না। দিনে রোদের তাপ যেমন গায়ে লাগছে, তেমনই চোখ-মুখও শুকিয়ে যাচ্ছে। হাওয়া অফিসের তথ্য বলছে, খাস কলকাতাতেও ন্যূনতম আপেক্ষিক আর্দ্রতা শীতের মতোই আছে। এবং এই পরিস্থিতিই আরও একবার উস্কে দিচ্ছে দু’বছর আগের স্মৃতি। সে বার গ্রীষ্মে টানা দু’সপ্তাহ ‘নজিরবিহীন’ তাপপ্রবাহের কবলে পড়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। শুষ্ক গরমে নাকাল হয়েছিলেন মানুষজন।

এ বারও সেই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছে আবহাওয়া দফতর। গ্রীষ্মের পূর্বাভাসে তারা জানিয়েছে, মার্চ থেকে মে মাস—এই পর্বে পূর্ব এবং পূর্ব-মধ্য ভারতের বেশির ভাগ অঞ্চলেই মরসুমি গড়ের থেকে বেশি দিন তাপপ্রবাহ মিলতে পারে।

মার্চ মাসের গোড়ায় এখনও তেমন গরম কলকাতা-সহ রাজ্যে পড়েনি। আবহবিদেরা বলছেন যে মার্চ মাসে পূর্ব ভারতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সে ভাবে মাথাচাড়়া দেবে না। বরং বেশির ভাগ জায়গায় স্বাভাবিকের থেকে কম থাকতে পারে। আগামী সপ্তাহের গোড়ায় রাজ্যের একাধিক জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসও দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। এই পরিস্থিতিতে এপ্রিল এবং মে মাসে গরমের দাপট দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদেরা।

হাওয়া অফিসের খবর, পশ্চিমবঙ্গ-সহ তাপপ্রবাহের আশঙ্কা যে জোরালো, সে কথা ইতিমধ্যেই পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির স্বাস্থ্য এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরকে জানানো হয়েছে। সেই অনুযায়ী জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা, পানীয় জলের সরবরাহের ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, এপ্রিলেই এ রাজ্যে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। সেই সময়ে প্রকৃতি বিরূপ থাকতে পারে বলেই মনে করছেন আবহবিজ্ঞানীরা।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Summer

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy