Advertisement
E-Paper

বাজার আগুন, কাঁটছাট লক্ষ্মীপুজোয়

আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। গৃহস্থ বাড়িতে চলবে ধনদেবীর আরাধনা। তার জন্য পরিপাটি করে আয়োজন করা চাই। কিন্তু বাজারে গিয়ে মুখ ভার আম-বাঙালির। ফল থেকে ফুল— হাত পুড়ছে সবেতেই। হুগলি অথবা গ্রামীণ হাওড়া— সব জায়গাতেই একই পরিস্থিতি। অনেকেই জানিয়েছেন, দামের কারণে আয়োজনে কিছুটা কাটছাঁট হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০১৮ ০০:৩৫
যাচাই: পুজোর জন্য মশাট বাজারে ফল কেনাকাটা। ছবি: দীপঙ্কর দে

যাচাই: পুজোর জন্য মশাট বাজারে ফল কেনাকাটা। ছবি: দীপঙ্কর দে

আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। গৃহস্থ বাড়িতে চলবে ধনদেবীর আরাধনা। তার জন্য পরিপাটি করে আয়োজন করা চাই। কিন্তু বাজারে গিয়ে মুখ ভার আম-বাঙালির। ফল থেকে ফুল— হাত পুড়ছে সবেতেই। হুগলি অথবা গ্রামীণ হাওড়া— সব জায়গাতেই একই পরিস্থিতি। অনেকেই জানিয়েছেন, দামের কারণে আয়োজনে কিছুটা কাটছাঁট হয়েছে।

হাতে পাকানো নারকেল নাড়ু খাওয়ার পরে তার স্বাদ মুখে লেগে থাকা চাই। সে জন্য দরকার ভাল মানের নারকেল। বাজারে মাঝারি আকারের নারকেল ২৫ টাকার কমে মেলেনি। আপেলের দাম ছিল কিলো প্রতি ১০০-১২০ টাকা। নেসপাতিও তাই। আঙুর বিকিয়েছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়। উলুবেড়িয়ার বাজারে অবশ্য আঙুরের দাম ছিল ১৫০-১৭০ টাকা কিলো। এক ডজন‌ কাঠালি কলা কোথাও ৪০, কোথাও আবার ৬০ টাকা। একটি কমলালেবু ১০ টাকা। বেদানার দর ছিল ১২০-১৫০ টাকা। একটি আখ ২০-২৫ টাকা। একটি আনারস ৪০-৫০ টাকা। শশার দাম গত কয়েক দিনের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এ দিন শশার দাম ছিল ৪০ থেকে ৬০ টাকা।

এ দিন আকাশছোঁয়া ছিল ফুলের দরও। লাল গাঁদাফুলের যে মালা সোমবার বিক্রি হয়েছে ১০-১২ টাকায়, মঙ্গলবার ফুল বিক্রেতারা সেই দর হেঁকেছেন ২০ টাকা। হলুদ গাঁদার মালা ২৫ টাকা। বেলফুলের ছোট মালা ৪ টাকা থেকে বেড়ে ৬ টাকা। রজনীগন্ধার যে মালা সোমবার ছিল ৩৫-৪০ টাকা, এ দিন সেই দাম দাঁড়িয়েছে ৬০-৭০ টাকায়। কুঁচো ফুলের জন্য বিক্রি হওয়া গাঁদা, দোপাটি— সব কিছুরই দাম অনেকটাই বেড়েছে।

ব্যবসায়ীদের একাংশের বক্তব্য, এ বার ফুলের আমদানি যথেষ্ট ভাল। কিন্তু পুজোর বাজার বুঝে বাজারের নিয়ন্ত্রণকারীরাই দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। তবে এ বার পদ্মের জোগান কিছুটা কম। তাই দামও বেশি। সাইজ অনুযায়ী ১৫, ২০ বা ২৫ টাকায় এক একটি পদ্মফুল বিক্রি হয়েছে। শ্রীরামপুরের ফুল বিক্রেতা প্রহ্লাদ দাস বলেন, ‘‘ হাওড়া থেকে ফুল কিনে এনে বিক্রি করি। সব ফুলের দাম বেড়েছে।’’ ফল-ফুলের দাম নিয়ে হাওড়ার উলুবেড়িয়ার গৃহবধূ দেবস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে হুগলির হরিপুরের গৃহবধূ রুমা হাজরার গলায় এক সুর। তাঁদের বক্তব্য, ‘‘গত বছরের তুলনায় সব কিছুর দাম বেড়েছে।’’ রুমাদেবী বলেন, ‘‘লক্ষ্মীপুজোর আয়োজন ভালভাবে করার চেষ্টা করি। তবে এ বার কম কিনেছি। প্রতিমার দামও বেড়েছে।’’

তথ্য সহায়তা: প্রকাশ পাল ও সুব্রত জানা

Laxmi Puja Market Price Hike
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy