Advertisement
E-Paper

তৃণমূলের বিরুদ্ধে মারের অভিযোগ

ইসলামপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার হুগলির নানা জায়গায় পথ অবরোধ করল এসএফআই এবং ডিওয়াইএফ। শ্রীরামপুরের একটি স্কুলে চড়াও হয়ে তৃণমূলের লোকেরা আন্দোলনরত এসএফআই কর্মীদের মারধর করে বলে অভিযোগ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০১:১৫
সমবেত: শ্রীরামপুরো পথ অবরোধ। নিজস্ব চিত্র

সমবেত: শ্রীরামপুরো পথ অবরোধ। নিজস্ব চিত্র

ইসলামপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার হুগলির নানা জায়গায় পথ অবরোধ করল এসএফআই এবং ডিওয়াইএফ। শ্রীরামপুরের একটি স্কুলে চড়াও হয়ে তৃণমূলের লোকেরা আন্দোলনরত এসএফআই কর্মীদের মারধর করে বলে অভিযোগ।

ইসলামপুরের ঘটনার প্রতিবাদে এ দিন রাজ্যজুড়ে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বামপন্থী বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন। এই জেলায় চুঁচুড়া, বৈদ্যবাটী, শ্রীরামপুর, পান্ডুয়া, উত্তরপাড়া-সহ নানা জায়গায় সিপিএমের ছাত্র এবং যুব সংগঠন অবরোধ করে। রিষড়ার ওয়েলিংটন চটকলের সামনে জিটি রোডে অবরোধে সামিল হয় স্কুল পড়ুয়ারা। বিভিন্ন জায়গায় স্কুলের সামনে পিকেটিং করেন এসএফআইয়ের নেতা-কর্মীরা।

এসএফআই নেতৃত্ব জানান, সকাল ১১টা নাগাদ সংগঠনের জেলা সভাপতি নবনীতা চক্রবর্তী-সহ কয়েক জন কর্মী ধর্মঘট নিয়ে শ্রীরামপুরের ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে যান। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলের লোক তাঁদের মারধর করে। সংগঠনের জেলা সম্পাদক অমৃতেন্দু দাসের অভিযোগ, ‘‘ছাত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে আন্দোলন। তার উপরেও আক্রমণ হল। নবনীতা-সহ অন্যদের গায়ে হাত তোলা হয়। ধিক্কার জানাচ্ছি।’’ বিষয়টি নিয়ে এসএফআইয়ের তরফে শ্রীরামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তৃণমূল অবশ্য অভিযোগ মানেনি। শ্রীরামপুর শহর তৃণমূলের সভাপতি গৌরমোহন দে বলেন, ‘‘কোথাও এমন কিছু ঘটেনি। অন্য রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে ঢুকে মারধর করা আমাদের দলের সংস্কৃতি নয়। বাধাই যদি দেওয়া হবে, তা হলে অত জায়গায় ওরা অবরোধ কি করে করল? তবে, স্কুল কলেজ বন্ধ করে আন্দোলন সমর্থনযোগ্য নয়।’’

SFI TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy