×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৩ জুন ২০২১ ই-পেপার

বস্তি উচ্ছেদে ‘রাজনীতি’ রেলের, উষ্মা সাংসদের

নিজস্ব সংবাদদাতা
শ্রীরামপুর ৩১ অগস্ট ২০২০ ০০:৫৩
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। - ফাইল চিত্র।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। - ফাইল চিত্র।

শ্রীরামপুরে রেলের জমি থেকে বস্তি উচ্ছেদের চেষ্টার প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমে রেলের বিরুদ্ধে কার্যত রাজনীতি করার অভিযোগ তুললেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

রবিবার সকালে শ্রীরামপুরে মালগুদাম সংলগ্ন রাইল্যান্ড রোডের ধারে দলীয় মঞ্চ থেকে পূর্ব রেলের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিকের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হলেন কল্যাণ। পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হলে ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই’য়ের হুঁশিয়ারিও দিলেন। তৃণমূল সাংসদের তোপ, ‘‘উচ্ছেদের জন্য শ্রীরামপুরকে কেন বেছে নেওয়া হল? এখানে তৃণমূলের সাংসদ আছেন বলে? ব্যারাকপুরে তো অনেক বেআইনি নির্মাণ আছে। হিম্মত থাকলে সেখানে ভেঙে দেখান। রাজনীতি করতে আসবেন না। তা হলে আন্দোলনের আগুন জ্বলবে। ছারখার হয়ে যাবেন।’’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য, কল্যাণ বোঝাতে চেয়েছেন, ব্যারাকপুরে যে হেতু বিজেপি সাংসদ রয়েছেন, তাই সেখানে এমন কাজ রেল করবে না।

Advertisement

রাইল্যান্ড রোডের ধারে তাদের জমিতে থাকা বস্তি সম্প্রতি খালি করতে বলে রেল। বাসিন্দারা আতান্তরে পড়েন। প্রতিবাদে রাস্তায় নামে তৃণমূল। আন্দোলন করছে সিপিএমও।

এ দিন সভা থেকে ওই জমি যে রেলেরই, তা প্রমাণেরও দাবি তোলেন কল্যাণ। দাবি করেন, ওই চৌহদ্দিতে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমিও রয়েছে। রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়ালকেও একহাত নেন তিনি। বস্তিবাসীদের জন্য পুনর্বাসনের দাবিও তোলেন। সভায় জেলা তৃণমূল সভাপতি

দিলীপ যাদব, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায়, শ্রীরামপুরের পুর-প্রশাসক অমিয় মুখোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।

পূর্ব রেলের এক আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেও সাংসদের কথার প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তিনি শুধু বলেন, ‘‘যা হচ্ছে আইন মেনেই হচ্ছে।’’

Advertisement