Advertisement
E-Paper

বধূকে হত্যার অভিযোগ, গ্রেফতার স্বামী-সহ তিন

বিয়ের পরেও বাড়তি যৌতুকের দাবিতে এক বধূকে পুড়িয়ে খুনের অভিযোগে তাঁর স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে গ্রেফতার করল পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় শেওড়াফুলির এন এস রোডের বাসিন্দা দীপিকা সিংহরায় (৩২) নামে ওই বধূকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সোমবার ভোরে তিনি মারা যান।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ জুলাই ২০১৪ ০২:৫৯

বিয়ের পরেও বাড়তি যৌতুকের দাবিতে এক বধূকে পুড়িয়ে খুনের অভিযোগে তাঁর স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যায় শেওড়াফুলির এন এস রোডের বাসিন্দা দীপিকা সিংহরায় (৩২) নামে ওই বধূকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সোমবার ভোরে তিনি মারা যান। তাঁর বাবা সিঙ্গুরের অঁটিসাড়া-বেণীপুরের বাসিন্দা দশরথ সিংহরায়ের দায়ের করা ওই অভিযোগের ভিত্তিতে এ দিনই দীপিকার স্বামী ফাল্গুনী সিংহরায়, শ্বশুর তারকনাথবাবু এবং শাশুড়ি রেবাকে পুলিশ ধরে। পুলিশ জানায়, বধূর দুই ননদ রুনু সিংহরায় এবং ঝুমা বন্দ্যোপাধ্যায়ও হত্যায় অভিযুক্ত। তারা পলাতক।

পুলিশের কাছে দশরথবাবুর দাবি, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেয়ে তাঁকে জানিয়েছিলেন, পণ দিতে না পারার জন্য মারধর করে তাঁর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

দশরথবাবু অভিযোগে পুলিশকে জানিয়েছেন, ২০০৯ সালের মে মাসে তিনি মেয়ের বিয়ে দেন। পণ হিসেবে নগদ ৬৫ হাজার টাকা এবং পাঁচ ভরি সোনার গয়না-সহ নানা জিনিসপত্র দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই অতিরিক্ত পণের দাবিতে তাঁর মেয়ের উপরে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছিলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। মেয়ে বাপেরবাড়িতে ফিরে অত্যাচারের কথা জানালেও তাঁর সংসার যাতে না ভাঙে তার চেষ্টা চালিয়েছিলেন দশরথবাবুরা। এর মধ্যে এক বার নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং দেড় ভরির সোনার হারও দেন মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে। তা সত্ত্বেও আরও পণের দাবি থামেনি। থামেনি অত্যাচার। দীপিকাকে ঠিকমতো খেতে দেওয়া হত না। তাঁর সন্তানের চিকিৎসার জন্যও টাকা দেওয়া হত না।

প্রতিবন্ধীর চিকিৎসার নির্দেশ

নিজস্ব সংবাদদাতা • গোঘাট

মানসিক প্রতিবন্ধী এক যুবকের চিকিৎসার জন্য তাঁর পরিবারের লোকজনকে নির্দেশ দিলেন গোঘাট-১ ব্লকের বিডিও দেবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস। গোঘাটের উদয়রাজপুর গ্রামের বাসিন্দা দেবকুমার দত্ত নামে ওই যুবককে বাড়ির গোয়াল-ঘরে বেঁধে রাখা হয়েছে, স্থানীয় সূত্রে এমনই অভিযোগ পেয়ে সোমবার তদন্তে যান ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকেরা। বিডিও বলেন, “দু’দিনের মধ্যে ওই যুবকের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছি। আমাদের কর্মীরা তাঁকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় না দেখলেও অধিকাংশ দিনই তাঁকে যে গোয়াল-ঘরে থাকতে হয়, তা তদন্তে জানা গিয়েছে।” দেবকুমারের বড়দা কার্তিক জানান, দু’বছর আগে কয়েক বছর আগে দেবকুমার মানসিক ভারসাম্য হারান। আটকে রাখার অভিযোগ নস্যাৎ করে তিনি দাবি করেন, “ভাই নিজেই গোয়ালে থাকে।”

southbengal shaoraphully murder charges husband arrested along with 2 more
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy