ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের উপনির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার উত্তেজনা তৈরি হল হুগলির পান্ডুয়ায় বিডিও অফিস চত্বরে। বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দিচ্ছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন সকাল ১১টা নাগাদ সিপিএমের ৫ জন প্রার্থী বিডিও অফিসে মনোনয়ন জমা দিতে আসেন। সেই সময় তৃণমূল কর্মীরা তাদের বাধা দেন বলে অভিযোগ। পরে দুপুর আড়াইটে নাগাদ বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে আসে। তখন ২ জন সিপিএম প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেন। অভিযোগ, এ দিন সকাল থেকেই পান্ডুয়া ব্লক অফিস চত্বরে তৃণমূল কর্মীরা জমায়েত করে ছিলেন। পরে পুলিশ গিয়ে বি়ডিও অফিস চত্বর ফাঁকা করে দেয়।
সিপিএমের পান্ডুয়া জোনাল কমিটির সম্পাদক বীরেন সাধুখাঁর অভিযোগ, ‘‘তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিডিও অফিসের ভিতরে ঘোরাঘুরি করছিল। পুলিশ সব জানলেও প্রথমে কিছুই করেনি।’’
একই অভিযোগ করেছেন পান্ডুয়া পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপি প্রার্থী অজয় দুবে। তাঁর দাবি, ‘‘মনোনয়ন তুলে নেওয়ার জন্য আমাকে চাপ দিচ্ছে তৃণমূল। হুমকি ফোন আসছে। প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি।’’ যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বিরোধীরা প্রার্থী খুঁজে না পেয়েই এমন মিথ্যা অভিযোগ করছে।
ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির অন্যান্য ব্লকের সঙ্গেই পান্ডুয়ার একটি পঞ্চায়েত সমিতি এবং তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত আসনে নির্বাচন রয়েছে ৩ অক্টোবর। পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সদস্য অমিতাভ চৌধুরী মারা গিয়েছেন। সেই আসনে ভোট হবে। এছাড়াও সরাইতিন্না পঞ্চায়েতের ২টি আসন এবং রামেশ্বরপুর-গোপালনগর ও ক্ষীরকুন্ডী-নিয়ালা-নামাজগ্রাম পঞ্চায়েতের একটি করে আসেন ভোট হবে ওই দিন।