Advertisement
E-Paper

হাসপাতাল থেকে শিশু চুরির চেষ্টা, আটক এক

ফের শিশু চুরির চেষ্টার অভিযোগ উঠল হাওড়ার উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে। কয়েক সপ্তাহ আগেই এখানে এক মহিলার বিরুদ্ধে শিশু চুরির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। তখন পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিল, অভিযুক্ত মহিলা মানসিক ভারসাম্যহীন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৩:১৭

ফের শিশু চুরির চেষ্টার অভিযোগ উঠল হাওড়ার উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে। কয়েক সপ্তাহ আগেই এখানে এক মহিলার বিরুদ্ধে শিশু চুরির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। তখন পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিল, অভিযুক্ত মহিলা মানসিক ভারসাম্যহীন। তাঁকে আটকও করা হয়। তার পরেই বুধবার একই অভিযোগ উঠল এই হাসপাতালে। এ দিনের ঘটনাতেও এক মহিলাকে আটক করেছে পুলিশ। পর পর দু’বার একই অভিযোগ ওঠায় হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত রোগী এবং রোগীর আত্মীয়েরা।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে বছর কুড়ির এক তরুণী হাসপাতাল চত্ত্বরে ঘোরাঘুরি করতে করতে হঠাৎ হাসপাতালের এসএনসিইউয়ে ঢুকে নিজেকে এক সদ্যজাতের আত্মীয় বলে পরিচয় দেয়। কিন্তু ওই সদ্যজাতের মা নার্সদের জানান, তিনি ওই মহিলাকে চেনেন না। তার পর তাকে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। অভিযোগ তার পর ওই মহিলা শিশু বিভাগে ঢুকে একটি শিশুকে তুলে নিয়ে পালাতে যায়। তখন অন্য রোগীরা সেটি দেখে তাকে তাড়া করলে সে শিশুটিকে ফেলে পালায়। খবর পেয়ে নিরাপত্তারক্ষীরা খোঁজাখুঁজি করলেও মঙ্গলবার অভিযু্ক্ত মহিলার নাগাল পাননি। এর পর বুধবার সকালে ওই তরুণী ফের উলুবেড়িয়া মহকুমা ফের হাসপাতালে আসে। তখন কয়েকজন রোগীরা তাকে চিনতে পেরে নিরাপত্তারক্ষীদের জানায়। তাঁরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে ওই মহিলাকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত মহিলার বাড়ি সাঁকরাইলের কন্যামনি এলাকায়। সেখানে ওই মহিলা তার দিদির বাড়িতে থাকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে ১২ জন নিরাপত্তাকর্মী এবং জনা পাঁচেক সিভিক ভলান্টিয়ার এই হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। তা সত্ত্বেও বার বার শিশু চুরির অভিযোগ ওঠায় আতঙ্কিত হাসপাতালের রোগীরা। তাঁদের প্রশ্ন, হাসপাতালের এসএনসিইউ ইউনিটটি দোতলায় অবস্থিত। সেখানে বহিরাগতরা ভিজিটিং কার্ড ছাড়াই কী ভাবে উঠে পড়ছে? এই বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আরও সর্তক হওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার সুদীপ রঞ্জন কাঁড়ার বলেন, ‘‘বিষয়টি লিখিত ভাবে উলুবেড়িয়া থানায় জানিয়েছি। হাসপাতালে আরও নিরাপত্তারক্ষী এবং সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েনের জন্য ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে বলা হয়েছে। এছাড়াও হাসপাতাল চত্বরে সিসিটিভি বসানোর পরিকল্পনা নিয়েছি।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy